
আসল তৃণমূল কারা,রাজ্য রাজনীতিতে সাম্প্রতিকতম প্রশ্নে এবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, বিষয়টি সাংবিধানিক। দু’পক্ষের কাগজপত্র খতিয়ে দেখার পরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আইনে যা বলা আছে সেভাবেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এদিকে খবর,কালীঘাট তৃণমূলের তরফে কাগজপত্র জমা পরলেও ঋতব্রত তৃণমূলের তরফে এখনও সম্পূর্ণ কাগজ জমা পড়েনি। অন্যদিকে, বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পরই প্রতিদিনই একটু একটু করে ভাঙছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ বিধায়ক যোগ দিয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে। ভোটে পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীরাও ঝুঁকছে বিদ্রোহী শিবিরে। অন্যদিকে দিল্লিতে রাজ্যসভার চার সাংসদ পদত্যাগ করেছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন ইতিমধ্যেই বি জে পি শিবিরের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। লোকসভাতেও সিংহভাগ সাংসদ তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছেন।
অন্যদিকে, দেশজুড়ে যে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে, তা স্বচ্ছ ভাবেই হচ্ছে প্রমাণে মরিয়া ছিল কমিশন। গোটা প্রক্রিয়া কীভাবে হয়েছে বা এখনও হচ্ছে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ আধিকারিকরা। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, দেশে বিভিন্ন রাজ্যের হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে তালিকা সংশোধন নিয়ে মোট ৭৮৬টি মামলা হয়েছিল। তার মধ্যে কমিশন একটি ছাড়া বাকি সব কটিতেই জয়ী হয়েছে। ফলে সংশোধন নিয়ে স্বচ্ছতায় কোন অস্পষ্টতা ছিল না বলে দাবি করা হয়েছে।
