
আর্টেমিস টু মিশনে নভোচারীরা চাঁদের অনেক দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করে গভীর মহাকাশের বিকিরণ, জীবনধারণ ব্যবস্থা এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষা করে ফিরছেন। এর আগে শেষবার যখন মানুষ চাঁদে গিয়েছিল, তখন নভোচারীদের হাতে ছিল ওমেগা স্পিডমাস্টার ঘড়ি।
স্পোর্টসওয়াচ শ্রেণির সে ঘড়িও নাসা বাছাই করেছিল কঠোর পরীক্ষার মাধ্যমে। নিল আর্মস্ট্রংসহ তিন চন্দ্রবিজয়ী পৃথিবীতে ফেরার পর ওমেগা তাদের ওই বিশেষ মডেলের স্পিডমাস্টারের নাম দেয়, মুনওয়াচ। এবার, অর্ধশতক পর বাজারে আরও উন্নত ঘড়ি এসেছে, শুরু হয়েছে স্মার্টওয়াচের জোয়ার। এবার তবে নভোচারীদের হাতে কী আছে? অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় পর মানুষকে আবার চাঁদে পাঠানোর প্রস্তুতির মধ্যে ওমেগা মুনওয়াচের ঐতিহ্য ফের আলোচনায় এসেছে। অ্যাপোলো মিশনের ধারাবাহিকতায় আর্টেমিস টু মিশনেও ঘড়ি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, এবং আবার সেই ওমেগা স্পিডমাস্টার।তবে, মিল কেবল ওইটুকুই। এবার ঐতিহ্যবাহী মেকানিকাল মুনওয়াচ নয়, নভোচারীদের হাতে দেখা গেছে স্পিডমাস্টারের আধুনিক এক্স-৩৩ অ্যানা-ডিজি ভার্সন। ১৯৯৮ সালে লঞ্চ করা এই ঘড়ি মার্সওয়াচ নামেও পরিচিত।
এটি নাসা অনুমোদিত দ্বিতীয় স্পিডমাস্টার, যা বাজারে এখন আর না থাকলেও এই মিশনে তার প্রাসঙ্গিকতা স্পষ্ট। উৎক্ষেপণের আগে যখন চার নভোচারী কমলা রঙের পোশাক পরে প্রথমবারের মতো বাইরে আসেন, তখন তাদের হাতে স্পষ্ট দেখা গেছে এই এক্স-৩৩ ঘড়ি। তবে এ মিশনে এটিই একমাত্র ঘড়ি নয়। উৎক্ষেপণের আগে নভোচারীদের হাতে দেখা গেছে আরেকটি ঐতিহাসিক ব্র্যান্ডের ঘড়ি।সারা বিশ্বেই পাইলটদের পছন্দের ঘড়ির ব্র্যান্ড ব্রাইটলিং। সুইস এই ঘড়ির বিশেষ একটি সিরিজও দেখা গেছে এবার,ব্রাইটলিং কসমোনট।
