স্কুইড গেম, কেন দর্শকদের এত পছন্দ

0
13

টুইঙ্কল খান্না সম্প্রতি আরিয়ান খানের গ্রেপ্তারির ঘটনাকে,স্কুইড গেম-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। আবু ধাবির কোরিয়ান কালচারাল সেন্টার সম্প্রতি তাদের নিজেদের স্কুইড গেম ভার্সান লঞ্চ করে। প্রতিটি সেশনে পনেরো জনের দু’টো টিম ,স্কুইড গেম-এর লোগো দেওয়া টি-শার্ট পরে এই শোয়ের কিছু গেম ,গ্রিন লাইট রেড লাইট, মার্বল গেম, ডালগোনা গেম খেলেছে।

এর দেখাদেখি এক্সপো দুবাইও ,রিয়‌্যাল লাইফ স্কুইড গেম-এর আয়োজন করেছে তাদের কোরিয়ান প‌্যাভিলিয়নে।বেলজিয়ামের একটি স্কুলে স্কুইড গেম খেলেছে বাচ্চারা, শুধু তাই নয় যারা হেরেছে তাদের মারধর করেছে অন‌্য ছাত্ররা। ওয়ালমার্ট এবং বিভিন্ন ফ‌্যাশন কোম্পানি এবার স্কুইড গেম-এর চরিত্রদের আদলে পণ‌্যদ্রব‌্য আনতে চলেছে।বং এ বছর হ‌্যালোইন পার্টির জন‌্য স্কুইড গেম কস্টিউম নিয়ে সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট সার্চ হয়েছে।আসন্ন কালীপুজোয় যদি পুজোর প‌্যান্ডেলে স্কুইড গেম-এর থিম দেখতে পান অবাক হবেন না।ফ্রক পরা ভয়ংকর রোবট পুতুলের চাহিদা এখন সবচেয়ে বেশি।পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এমন নানা ঘটনা ঘটেই চলেছে, ১৭ সেপ্টেম্বর হং দুং ইয়ক পরিচালিত সাউথ কোরিয়ান ওয়েব সিরিজ স্কুইড গেম রিলিজ করার পর।নব্বইটি দেশে ,স্কুইড গেম সর্বোচ্চ ভিউয়ারশিপ দখল করেছে। এই শো নেটফ্লিক্সের ব‌্যবসা, সাবস্ক্রিপশন একধাপে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে।বলা হচ্ছে প্রায় ৩.৮৬ মিলিয়ন সাবস্ক্রিপশন বেড়েছে।মুক্তি পাওয়ার প্রথম সপ্তাহে ১৪২ মিলিয়ন বাড়ির লোক এই ওয়েব সিরিজ দেখেছে বলে জানা গিয়েছে। এখন ঘটনা হলো,স্কুইড গেম-এর বিষয় কী? বড়রা নিজেদের প্রাণ হাতে করে ছোটদের খেলা খেলতে নামে।একেকটা এপিসোড, একেকটা গেম। যে হারবে সে খতম,প্রচণ্ড রুদ্ধশ্বাস, নৃশংস এই মরণ-বাঁচনের খেলায় দেখতে মেতেছে গোটা দুনিয়া।যে জিতবে সে পাবে ৩৮ বিলিয়ন ইউএস ডলার। এবং খেলছে কারা? ধার-দেনায় ডুবে থাকা আমজনতা। সে নিম্নমধ‌্যবিত্ত থেকে, অতিশিক্ষিত ব‌্যবসায়ী, গ‌্যাংস্টার, পকেটমার, মধ‌্যবিত্ত দম্পতি থেকে মৃতপ্রায় বৃদ্ধ ,কে নেই! পরিচালক হং দুং ইয়ক এই কনসেপ্ট নিয়ে প্রায় দশ বছরেরও বেশি ঘুরেছেন। কিন্তু অবাস্তব এবং হিংসাজনিত কারণে বেশ কিছু স্টুডিও এই ভাবনা নিয়ে ছবি বানাতে চায়নি। প্রথমে এটি চলচ্চিত্র হিসাবেই ভেবেছিলেন পরিচালক।পরিচালকের কথায় সত্যি ঘটনা থেকেই অনুপ্রাণিত ,স্কুইড গেম। সাউথ কোরিয়ার ধুঁকতে থাকা ইকোনমি, তাঁর নিজের একটা সময়ের আর্থিক অবনতি, তাঁর চারপাশের বন্ধু-বান্ধব- সবকিছু থেকেই অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন পরিচালক হং দুং ইয়ক।