
এক বন্ধু, বান্ধবী এবং আরেক মহিলাকে নিয়ে শুক্রবার মন্দারমণির হোটেলে উঠেছিলেন তৃণমূল নেতা আবুল নাসার।
হোটেলে মহিলাদের তাঁদের স্ত্রী বলে দাবি করেছিলেন তৃণমূল নেতা ও তাঁর ব্যবসায়ী বন্ধু। ওই দুই মহিলা অবশ্য রাতেই মন্দারমণি ছেড়েছিলেন। শনিবার সকালে হোটেলের ঘর থেকে তৃণমূল নেতার দেহ উদ্ধার হয়। এরপরে তৃণমূল নেতার উপপ্রধান স্ত্রী খুনের অভিযোগ করেন। এরপরেই আবুলের বন্ধু এবং এক বান্ধীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও এখন আমডাঙার তৃণমূল উপপ্রধান সুরাইয়া পারভিন বলছেন এই ষড়যন্ত্রের পিছনে থাকতে পারে যুবতীর মামা।
আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির আদালত তৃণমূল নেতার রহস্যমৃত্যুতে গ্রেফতার ২ জনের ৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।








