
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল দেশে আকস্মিক সামরিক আইন আরোপের প্রচেষ্টার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই অনুতপ্ত ও ক্ষমাপ্রার্থনা করা মানুষ থেকে প্রেসিডেন্ট হয়ে উঠেছেন আরো অবিচল।
ইস্পিচমেন্ট এড়ানোর সকল প্রচেষ্টায় বাধা দেওয়ার শপথ নিয়েছেন তিনি। এর আগে প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল আকস্মিকভাবে মার্শাল ল’ঘোষণা করেন, যা তৎক্ষণাৎ ব্যাপক প্রতিরোধের মুখে পড়ে। সংসদ এবং সামরিক বাহিনী উভয়ই তার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে। সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ইস্পিচমেন্ট-র মুখোমুখি ইওল এখন দেশ ও তার দলের জন্য এক বড় সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এদিকে, রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে তদন্ত চলার সময় সুক-ইওলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। এ অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সব মিলিয়ে ইওল এই সপ্তাহ শেষে দ্বিতীয়বার ইস্পিচমেন্ট-র ভোটের মুখোমুখি হচ্ছেন। কারণ তার দলের সমর্থন ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। এদিকে প্রতি রাতে রাস্তায় হাজার হাজার মানুষের ক্ষোভের গর্জন জোরালো হচ্ছে। অন্যদিকে, ইস্পিচমেন্ট পাশ করতে হলে দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যকে এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিতে হবে। শাসক দলের আটজন এমপিকে বিরোধীদের সঙ্গে যোগ দিতে হবে। কিছু এমপি সেই ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন।
এই দলে আছেন এমপি কিম সাং-উক। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট আর দেশ চালানোর যোগ্য নন। তিনি সম্পূর্ণ অযোগ্য। তবে কিম জানিয়েছেন, সব এমপি তার পথে হাঁটবে না, ইউনের প্রতি অনুগত থেকেই যাবে একটি দলের।
