
গ্রীনল্যাণ্ড প্রসঙ্গে আমেরিকা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়াল ডেনমার্ক। গ্রীনল্যাণ্ড প্রসঙ্গে আমেরিকার আগ্রহ ও সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত প্রসঙ্গে ডেনমার্ক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
ডেনমার্ক প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে , যদি গ্রিনল্যান্ড কোনো বিদেশি বাহিনী অনুপ্রবেশ করে, তাহলে ডেনিশ সেনারা ‘প্রথমে গুলি চালাবে, পরে প্রশ্ন করবে’। আমেরিকা হলেও সেই তালিকা থেকে বাদ যাবে না। পাল্টা মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন যে, তিনি আগামী সপ্তাহে ডেনিশ এবং গ্রীনল্যান্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করছেন। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেছেন যে ট্রাম্প দ্বীপটি কিনতে চান এবং সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে চান না। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ডেনমার্ক গ্রীনল্যান্ড সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে যথাযথ কাজ করেনি এবং ট্রাম্প আর্কটিক অঞ্চলে আমেরিকান স্বার্থ রক্ষার জন্য “যতদূর যেতে ইচ্ছুক”। তবে ডেনমার্ক বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে দ্বীপটি বিক্রির জন্য নয়।
এর আগে মঙ্গলবার, ইউরোপীয় নেতারা একটি যৌথ বিবৃতিতে ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, গ্রীনল্যান্ড এবং ডেনমার্কের আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করা উচিত। সোমবার ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনও তাকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে, গ্রীনল্যান্ড যেকোনো মার্কিন হামলার অর্থ হবে ন্যাটো জোটের সমাপ্তি এবং “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির পর থেকে প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা”।








