
ঘি শুধু একটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজারই নয়, শীতকালে ত্বকের যত্ন নেওয়ার একটি কার্যকরী উপাদানও। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি নিজেই অনুভব করতে পারবেন।
তবে ঘিয়ে যেন ভেজাল না থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। এতে হিতে-বিপরীত হতে পারে।এখন প্রশ্ন হলো,কীভাবে ঘি দিয়ে শীতকালীন রূপচর্চা করবেন।প্রথমে,ঘি, ২ টেবিল চামচ বেসন ও ২ টেবিল চামচ হলুদের মিশ্রণ দিয়ে একটি ফেসমাস্ক তৈরি করুন। এটি ত্বকে প্রয়োগ করে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর উষ্ণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।তবে এতে আলাদা করে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর খুব বেশি প্রয়োজন পড়ে না। এই মাস্ক ত্বককে উজ্জ্বল করে।ঘি নিয়মিত ব্যবহার করলে এটি ত্বকের বার্ধক্য কমাতে সাহায্য করে। যেমন ফাইন লাইন, বলিরেখা প্রতিরোধ করে।এটি ত্বককে উজ্জ্বল ও তারুণ্যদীপ্তও রাখে।ওদিকে,ত্বকের কোষকে গভীরভাবে পুষ্টি জোগাতে এবং ময়েশ্চারাইজড রাখতে ঘিয়ের জুড়ি মেলা ভার।ঘি ব্যবহার করলে ত্বক নরম ও সতেজ অনুভূত হয়।এটি সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী।তবে তেলতেলে ত্বকের ক্ষেত্রে লোমকূপ আটকে যেতে পারে।পাতলা লেয়ারে প্রয়োগ করতে পারেন।শীতকালে ঠোঁট ফাটা এড়াতে ঘি লিপবামের কাজ করে। ঠোঁট ফাটার চমৎকার প্রাকৃতিক সমাধান এই ঘি। ঠোঁটে গভীরভাবে আর্দ্রতা জোগায় ও পিগমেন্টেশন রোধ করে এটি।পাশাপাশি নিয়মিত ঘি ব্যবহার করলে ত্বকের লালচে ভাব ও শীতকালীন ফুসকুড়ি হ্রাস পায় অনেকের ক্ষেত্রে।এছাড়া চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতেও কার্যকর ঘি।
এটি চোখের নিচে হালকাভাবে প্রয়োগ করে আলতোভাবে মালিশ করলে চোখের চারপাশ দ্রুত উজ্জ্বল দেখায়। তবে সপ্তাহে তিন দিনের বেশি নয়।
