
পরকীয়া জেনে যাওয়ায় স্বামীকে ভাড়াটে খুনি দিয়ে খুন করিয়েছেন স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিক। আর তাতে মদত দিয়েছিলেন শাশুড়িও। ২ দিনের মধ্যেই চুঁচুড়ার রমেশ মুদালিয়ার হত্যাকাণ্ডের জট খুলল পুলিশ। স্ত্রী ও শাশুড়িকে জেরা করে তথ্য পায় পুলিশ।
তার ভিত্তিতে স্ত্রীর প্রেমিক এবং তিন ভাড়াটে খুনিকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে দেবানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কানাগড়ের ভাঙা মসজিদ এলাকায় খুন হন রমেশ মুদালিয়া। পরদিন মর্নিংওয়াকে বেরিয়ে এক মহিলা রমেশের রক্তাক্ত দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। এরপরেই রমেশের সৎ মা নাগরানি মুদালিয়া চুঁচুড়া থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর ভিত্তিতে রমেশের স্ত্রী সারদা মুদালিয়া এবং তাঁর মাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। চুঁচুড়া আদালত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সারদার সঙ্গে ব্যান্ডেলের বাসিন্দা বিকাশ মেহালির বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এই নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হত। পরকীয় সম্পর্কের কথা জেনে যাওয়ায় ৭০ হাজার টাকা দিয়ে ৩ ভাড়াটে খুনিকে স্বামীকে খুনের বরাত দেয় সারদা ও তাঁর প্রেমিক বিকাশ।
এরপর বৃহস্পতিবার বিকাশ রমেশকে ডাকেন। সেখানেই তিন ভাড়াটে খুন সোম ওরফে বাপি, অভিষেক রাজভর এবং প্রসেনজিৎ বিশ্বাস ছিল। সবাই মিলে মদ খাওয়ার পর চারজন মিলে কুপিয়ে খুন করে রমেশকে।









