
পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে অংশ নিতে ভ্যাটিকানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের বহু নেতৃবৃন্দ ও রাজপরিবারের সদস্যরা। শনিবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় প্রায় ১৩০টি বিদেশি প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছে, যার মধ্যে ৫০ জন রাষ্ট্রপ্রধান ও ১২ জন রাজা-রানী।
শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকা গির্জার সামনের চত্বরে পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্য হয়েছে।অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট বিশ্বনেতাদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার স্ত্রী জিল বাইডেন, ভারতের রাষ্ট্রপতি ডক্টর দৌপদী মুর্মু ,বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস; ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ও প্রিন্স উইলিয়াম; ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ; ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি; ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও প্রেসিডেন্ট সেরজিও মাত্তারেলা; জার্মানি চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ ও প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ওয়াল্টার স্টেইনমার।ছিলেন নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্স হাকোন ও ক্রাউন প্রিন্সেস মেট্টে-মারিত, স্পেনের রাজা ফিলিপে ও রানি লেতিসিয়া,বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ ও রানি ম্যাথিল্ড ,সুইডেনের রাজা কার্ল ষোড়শ গুস্তাফ ও রানি সিলভিয়া, জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ ও রানি রানিয়া।এছাড়াও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স খালিদ বিন মুহাম্মদ আল নাহিয়ানসহ আরো অনেকে।তবে নির্বাচনী প্রচারের কারণে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও ভ্যাটিকানের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির কারণে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু,কংগ্রেস ভ্রমণের অনুমতি না দেওয়ায় পেরুর প্রেসিডেন্ট দিনা বোলুয়ার্তে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কারণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি।
এসব বিশ্বনেতারা ছাড়াও অন্যান্য ধর্মীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি যেমন রাষ্ট্রসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস; ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশন প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস উপস্থিত ছিলেন।







