
কেউ বা উল্লসিত। কেউ সাবধানী। সিরিয়ার বাশার আল আসাদের সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিশ্ব থেকে এমনই মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে। রাশিয়া এবং ইরান আসাদের মিত্র বলেই পরিচিত।
সূত্রের খবর, ক্ষমতাচ্যুত এবং দেশচ্যুত হয়ে পরিবারকে নিয়ে রাশিয়াতেই আশ্রয় নিয়েছেন বাশার আল আসাদ। অন্যদিকে, সরকারিভাবে স্বীকার না করলেও বরাবরই সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহীদের সমর্থন জুগিয়েছে তুরস্ক। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে আমেরিকা থেকে চিন, রাশিয়া থেকে ইজরায়েল-সহ একাধিক দেশ।আমেরিকার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, বাশার আল আসাদকেই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা উচিত। একই সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে পরিবর্তিত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ওয়াশিংটনের তরফে জানানো হয়েছে, তারা ক্ষমতা হস্তান্তর, সার্বভৌম প্রতিষ্ঠা এবং স্বাধীনতার জন্য সিরিয়ার সব গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলবে।চিন জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছে। ইরান জানিয়েছে, তারা সিরিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বমূলক সম্পর্ক বজায় রাখবে। বিদ্রোহীদের সমর্থন জোগানো তুরস্ক জানিয়েছে, তারা সে দেশের ক্ষত নিরাময় এবং ঐক্য, সংহতি এবং নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো জানিয়েছেন, সিরিয়ার মানুষদের সাহস, ধৈর্যকে কুর্নিশ।ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার বলেছেন, তাঁরা আঞ্চলিক সহযোগীদের সঙ্গে কথা বলছেন। বাশার আল আসাদের পতনে ইরান এবং তেহরানের সমর্থনপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লার বিরুদ্ধে তাদের জয় দেখছে ইজরায়েল।
এদিকে রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেস বলেছেন, স্থায়ী এবং শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছে সিরিয়া।








