
দীর্ঘ দু’ দশকের প্রস্তুতি শেষে অবশেষে শুরু হল মহাবিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মহাজাগতিক জরিপ।চিলির ভেরা সি. রুবেন অবজারভেটরিতে থাকা বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল ক্যামেরাটি আগামী ১০ বছর ধরে প্রতি রাতে মহাকাশের লাখ লাখ ছবি তুলবে।
আর এর মাধ্যমেই এ সপ্তাহে যাত্রা শুরু করল লিগাসি সার্ভে অফ স্পেস অ্যান্ড টাইম বা, এলএসএসটি ক্যামেরা। দু’ দশকেরও বেশি সময়ের দীর্ঘ প্রস্তুতি শেষে মহাকাশ পর্যবেক্ষণের এ বড় মহাযজ্ঞ অবশেষে আলোর মুখ দেখল।বিজ্ঞানীরা বলছেন,আমাদের সৌরজগৎ এবং মহাবিশ্বের ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটার ও মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের মতো নানা অমীমাংসিত রহস্য উন্মোচনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে এ ক্যামেরা।এদিকে,চিলিতে অবস্থিত ভেরা সি. রুবেন অবজারভেটরিতে বসানো হয়েছে ৩ হাজার ২০০ মেগাপিক্সেলের বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল ক্যামেরা, যা মহাবিশ্বের ওপর ১০ বছর মেয়াদি এক বিস্তর জরিপ চালাবে।৩০ জুন থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ক্যামেরাটি আগামী এক দশক ধরে প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একটি করে নতুন ছবি তুলবে।এভাবে কেবল কয়েক রাতের ব্যবধানেই ক্যামেরাটি পুরো দক্ষিণের আকাশ একবার করে স্ক্যান করে ফেলবে।এসব পর্যবেক্ষণ মহাবিশ্বের আল্ট্রাওয়াইড ও আল্ট্রাহাই-ডেফিনেশন টাইম-ল্যাপ্স রেকর্ড তৈরি করবে।ক্যামেরাটির কার্যসক্ষমতা পরীক্ষার জন্য গত বছরের গ্রীষ্মেই কিছু পরীক্ষামূলক ছবি তোলা হয়েছিল।প্রথমবারেই লাখ লাখ ছায়াপথ এবং আগে কখনো দেখা না যাওয়া হাজার হাজার গ্রহাণু ও তারার চমৎকার দৃশ্যের ছবি তুলে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ক্যামেরাটি।
এ লিগাসি সার্ভে অফ স্পেস অ্যান্ড টাইম অভিযানে ক্যামেরাটি আকাশের প্রতিটি নির্দিষ্ট অংশের দিকে প্রায় ৮০০ বার তাকাবে, যাতে মহাকাশের যে কোনো পরিবর্তন বা মহাজাগতিক ঘটনা নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা যায়।








