রাজকে সচেতন হওয়ার পাঠ রচনার

0
95
ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

হোক কলরব-এর সংলাপ ঘিরে গত দিন দুয়েক ধরেই সোশাল মিডিয়ায় চাপানোতর।তবে উত্তেজনার পারদ আরও উর্ধ্বগামী হয়েছে, বললেও অত্যুক্তি হয় না।

টিজারের এক দৃশ্যে পুলিশের উর্দি গায়ে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গিয়েছে, নমস্কার, আমি ক্ষুদিরাম চাকী। না, আমি ঝুলি না, ঝোলাই। আর সেই সংলাপ শুনেই প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন সভ্য দর্শকমহলের একাংশ। ক্ষুদিরাম বসুকে অসম্মানের অভিযোগ উঠেছে পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে এবার মুখ খুলেছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনা বলেছেন, রাজ চক্রবর্তী চাইলে অন্য নাম রাখতে পারতেন, সচেতন হওয়ার প্রয়োজন ছিল। সাংসদ-অভিনেত্রীর সংযোজন, এখন সোশাল মিডিয়ার যুগ।একটু উনিশ-বিশ হলেই মানুষ সেটাকে ইস্যু করে নেয়।এরকম নাম হয়তো আগে অনেক ব্যবহার হয়েছে, তখন তো সোশাল মিডিয়া এত স্ট্রং ছিল না। আমার বাবার নাম রবীন্দ্রনাথ ব্যানার্জি আমি তার মেয়ে রচনা ব্যানার্জি। অনেকে বলতো এই রবীন্দ্রনাথ এদিকে আয়।তাহলে যদি বলেন যে, তুই-তুকারি করা হলো সেটা তো নয়। আমার বাবার নাম সেটা। উনিও হয়তো তাই সেইভাবে নামটা রেখেছেন ক্ষুদিরাম চাকী। এখন অনেকে হয়তো ভাবছেন একজন বিশিষ্ট মানুষের নাম এভাবে রাখা হয়েছে। এর থেকেও আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে, যেগুলো নিয়ে আলোচনা করা উচিত। ভাবা উচিত।

এরপর রচনা জানিয়েছেন,এ বিষয়ে ওঁর সচেতন হওয়া উচিত।উনি চাইলে অন্য নাম রাখতে পারতেন। কিন্তু মানুষ মাত্রই তো ভুল হয়। সেটা হয়তো রাজ চক্রবর্তীর হয়ে গিয়েছে।