
এখন যা অবস্থা তাতে,উপোস থাকলেই কমবে ওজন, এমন ধারণা একেবারেই ভুল। বরং নিয়ম মেনে সঠিক সময়ে খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার।
তবেই ঝরবে বাড়তি মেদ। কিন্তু সারা দিন ঠিকঠাক চললেও রাতের খাবারে অনেক সময়েই অনিয়ম হয়ে যায়।মূলত সারা দিনের কর্মব্যস্ততার পর আর রান্নাঘরে যেতে মন চায় না,অগত্যা ভরসা বাইরের খাবারে। আর তখনই ডায়েটের বারোটা বেজে যায়। তাহলে ডিনারে ঝটপট তৈরি হয়ে যায় এমন খাবার রাখাই শ্রেয়। ওজন কমাতে রাতে খিচুড়ি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে এই খাবার। রাতে মাঝে মাঝেই খিচুড়ি খেতে পারেন। সব সময় ডাল-চাল দিয়ে ভালো না লাগলেও ডালিয়ার খিচুড়িও বানাতে পারে।ডালিয়া খুবই স্বাস্থ্যকর খাবার। আবার,টমেটো, পেঁয়াজ ও পালং শাকের মিশ্রণ এমনিতে স্বাস্থ্যকর। এই তিন উপকরণ দিয়ে কোনো এক দিন বানিয়ে নিতে পারেন পালং পনির। তবে ক্যালরির পরিমাণ কমাতে চাইলে ফ্যাট কম এমন পনির ব্যবহার করতে হবে। সঙ্গে আটার কিংবা ওটসের রুটি হলে জমে যাবে।এছাড়া,বর্তমানে ফাইবারে সমৃদ্ধ কিনোয়া ভাত বা রুটির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করেন অনেকেই। কিনোয়া সিদ্ধ করে বিভিন্ন সবজি দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন পোলাও। চাইলে ডিম অথবা চিকেনও যোগ করতে পারেন। আর,যদি বিরিয়ানি পছন্দ হয়, তাহলে দোকানের বিরিয়ানি না খেয়ে বাড়িতে ব্রাউন রাইসের বিরিয়ানির স্বাদ নিতে পারেন। সঙ্গে প্রোটিনের উৎস হিসেবে মুরগির মাংস, সয়াবিন বা পনির রাখুন।অথবা,ফ্রেশ চিকেন দিয়ে যদি স্যালাড করেন, তাহলে খেতে অবশ্যই ভালো লাগবে। সেক্ষেত্রে প্রথমে চিকেন সিদ্ধ করে নিতে হবে। বেশি সিদ্ধ করবেন না, কারণ এই চিকেনটা আবার কিছুক্ষণ বেক করতে হবে। সিদ্ধ করার সময় তাতে দুটো পেঁয়াজের টুকরো, কয়েক কোয়া রসুন, লবণ, গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে দিন। ইচ্ছা হলে কিছুটা স্প্রিং অনিয়নও দিতে পারেন।রাতের খাবারে এসব খাবার খেলে ওজন কমবে এবং নিয়ন্ত্রণে রাখবে। তাই ওজন কমাতে রাতে হালকা খাবার খান এবং ঘুমানোর নির্দিষ্ট সময় আগে খাবার শেষ করুন। তবে অতিরিক্ত কোনো কিছুই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।
তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে। এ ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ তো নেবেনই।
