
সাপে কামড়ানো মায়ের প্রাণ বাঁচাতে বেহাল রাস্তা দিয়েই কাঁধে নিয়ে ৫কিমি হেঁটে গিয়েও শেষরক্ষা হল না। অবশেষে মৃত্যুই হয়েছে ওই মহিলার। এমনই মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থেকেছে ওড়িশার কন্ধমাল জেলার মানুষ। রাস্তার অবস্থা বেহাল, গাড়ি চলাচলের যোগ্য নয়। মায়ের প্রাণ বাঁচাতে তাঁকে কাঁধে তুলে জঙ্গলের রাস্তা ধরে পাঁচ কিলোমিটার হেঁটে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন তরুণী।
কিন্তু এত কষ্টের পরও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে মহিলার।জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে ডুমেরিপাড়া গ্রামে নিজের বাড়িতেই ঘুমোচ্ছিলেন বালামাদু মাঝি। সেই সময়েই তাঁকে সাপে কামড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পরিবারের লোকেরা ১০৮ নম্বরে ফোন করে অ্যাম্বুলেন্স ডাকেন। কিন্তু গ্রামের মধ্যে গাড়ি যাওয়ার মতো পাকা রাস্তা না থাকায় অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারেনি। অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছনোর পথ না থাকায়, মেয়ে রাজনি মাঝি কোনও উপায় না পেয়ে অসুস্থ মাকে নিজের কাঁধে তুলে নেন।
তারপর জঙ্গলের মধ্যে দিয়েই দীর্ঘ পাঁচ কিলোমিটার পথ হাঁটেন।এরপর আরও তিন কিমি রাস্তা তাঁরা বাইকে পার করে অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত পৌঁছন।সেখান থেকে প্রথমে বালামাদুকে তুমুদিবন্ধের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় বালিগুড়া সাব-ডিভিশনাল হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।





