
ইউটিউবে এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো ভিডিও বা ডিপফেক ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। এখন থেকে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী সব ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বিশেষ এআই টুল চালু করছে তারা।
এ টুলের সাহায্যে যে কেউ সহজেই শনাক্ত করতে পারবেন যে, অনুমতি ছাড়া তার চেহারা বা অবয়ব নকল করে কোনো ভিডিও তৈরি করা হয়েছে কি না এবং প্রয়োজনে সেটি দ্রুত সরিয়ে ফেলার অনুরোধও জানাতে পারবেন।কমিউনিটি পেজে এক ঘোষণায় ইউটিউব বলেছে, তাদের লক্ষ্য অননুমোদিত কনটেন্ট সহজে সরিয়ে ফেলার সুযোগ দিয়ে ইউজারদের মানসিক স্বস্তি দেওয়া।প্রযুক্তিগতভাবে এ টুলটি কেবল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আনা হলেও ইউটিউবের মুখপাত্র জ্যাক ম্যালন বলেছেন, সাধারণ যে কেউ টুলটি ব্যবহার করতে পারবেন। এদিকে বর্তমানে আসল ভিডিও ও এআই দিয়ে তৈরি ভিডিওর মধ্যে পার্থক্য করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে টুলটি সবার জন্য চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষেরও উপকার হবে,বিশেষ করে যারা হঠাৎ করে দেখতে পান, তাদের চেহারা কোনো ক্ষতিকর বা বিভ্রান্তিকর এআই ভিডিওতে ব্যবহৃত হয়েছে।নির্মাতাদের ক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়া কোনো ব্র্যান্ড বা কোম্পানি তাদের চেহারা ব্যবহার করে পণ্য ও সেবার বিজ্ঞাপন দিচ্ছে কি না তা ধরে ফেলতে এ টুলটি সাহায্য করবে।উল্লেখ্য ইউটিউব ২০২৪ সালে প্রথম এ টুলটির কার্যকারিতা দেখিয়েছিল এবং পরবর্তীতে ২০২৫ সালের শেষদিকে তা চালু করে।
শুরুতে টুলটি কেবল পার্টনার প্রোগ্রাম-এর সদস্যদের জন্য এনেছিল প্ল্যাটফর্মটি। অন্যদিকে পার্টনার প্রোগ্রাম এমন নির্মাতাদের জন্য যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার পাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ওয়াচ আওয়ার বা, ভিডিও দেখার সময় বা শর্টস ভিউ পেয়ে নিজেদের চ্যানেল থেকে আয় করতে শুরু করেছেন।




