
বাংলাদেশে জমা পড়েছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের দ্বিতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্ট।বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে রিপোর্টটি জমা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী ওই রিপোর্টটি হাতে পাওয়ার পরে ইউনূস বলেছেন, কী ভয়াবহ এক একটি ঘটনা,আমাদের সমাজের ভদ্রলোকেরা, আমাদেরই আত্মীয়-পরিজনেরা এ ঘটনাগুলি ঘটিয়েছেন।উল্লেখ্য,আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে গুমের অভিযোগ উঠেছে।
শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলাদেশে অপরাধে অভিযুক্ত অনেককে গ্রেফতার না-করে গুম করে দেওয়া হত বলে অভিযোগ।উঠে এসেছে হাসিনা জমানার গোপন বন্দিশালা বা আয়নাঘর-এ বন্দি করে নির্যাতনের অভিযোগও।পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর এই বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নিজেও আয়নাঘর পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। আয়নাঘর পরিদর্শনের পরে ইউনূস বলেছিলেন, একজন বলছিলেন খুপরির মধ্যে রাখা হয়েছে। এর থেকে তো মুরগির খাঁচাও বড় হয়।গুম তদন্ত কমিশনের দ্বিতীয় রিপোর্টটি পাওয়ার পরে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, সেটি ওয়েবসাইট এবং বই আকারে প্রকাশ করতে হবে। তদন্ত কমিশনের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন,আপনারা যা কিছু পেয়েছেন, তার ভিত্তিতে একটি হরর মিউজ়িয়াম হওয়া উচিত। গা শিউরে ওঠার মতো ঘটনা।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, এ ধরনের বন্দিশালা কেমন হয়, তিন বর্গফুটের খুপরির মধ্যে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আটকে থাকার যে নির্মমতা, সেই চিত্র মানুষের কাছে তুলে ধরা উচিত।এদিকে তদন্ত কমিশনের সদস্যেরা জানিয়েছেন,এখনও পর্যন্ত তাঁদের কাছে ১ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। তার মধ্যে ১ হাজার ৩৫০টি অভিযোগ তাঁরা যাচাই করেছেন। এই অভিযোগের সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও মনে করছেন গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্যেরা।








