
অশান্তি যেন থামছেই না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। দিনভার উত্তেজনার পর রাতেও তপ্ত হয়ে উঠেছিল ক্যাম্পাস। শনিবার রাতে শিক্ষাবন্ধু সমিতির কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে বলে খবর সূত্রে। অন্যদিকে রাতের দিকেই আহত ছাত্রদের দেখতে কেপিসি হাসপাতালে গিয়েছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। অভিযোগ সেখানেই তাঁকে কয়েকজন হেনস্থা করেছেন। টানাটানির জেরে তাঁর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সাংবাদিকদের সামনে উপাচার্য জানিয়েছেন, আচমকা একদল ছাত্রী তাঁর দিকে তেড়ে এসে ধাক্কা দিয়ে তার পাঞ্জাবী ছিঁড়ে দিয়েছে। হাসপাতালে উপস্থিত অন্য ছাত্ররা তাকে উদ্ধার করে গাড়িতে তুলে দেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিনের ঘটনার পর উপাচার্য আক্ষেপের সুরে জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের ঘটনায় তিনি হতবাক। শনিবার ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভা ঘিরে তপ্ত হয়ে উঠেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বামপন্থী পড়ুয়াদের বিক্ষোভে মুখে পড়তে হয় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে। তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কোমরে ও হাতে চোট লেগেছিল তাঁর। এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। শনিবারের ঘটনায় শিক্ষমন্ত্রীর গাড়ির নীচে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন দুই ছাত্র বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় কেপিসি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে তাঁদের। তারপর থেকেই দফায় দফায় অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে যাদবপুরে। একদিকে যেমন বাম ছাত্রনেতারা যাদবপুর থানার সামনে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন, তেমনই পাল্টা মিছিল করে তৃণমূল কংগ্রেসও।
সোমবার রাজ্যের সব কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে এসএফআই। পরবতা কর্মসূচি স্থির করতে সোমবারের পর আবার জিবি বৈঠক হবে, এসএফআই সূত্রে খবর।









