
ইয়াকুব মেনসিকের সামনে টুর্নামেন্টের শুরুতেই দুর্ভাগ্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। হাঁটুর প্রচণ্ড ব্যথায় হাল ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু ঘটনাক্রমে খেলা চালিয়ে যেতে হয় তাকে। এরপর অবিশ্বাস্য দৃঢ়তায় তিনি লিখলেন যেন এক রূপকথার গল্প। শৈশবে যাকে আদর্শ মানতেন, সেই নোভাক জোকোভিচকে ফাইনালে হারিয়ে মায়ামি ওপেনের ট্রফি জিতেছেন চেক রিপাবলিকের টিনএজ তারকা।ফ্লোরিডার হার্ড রক স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নশিপ লড়াইটি মাঠে গড়ানোর কথা ছিল স্থানীয় সময় বেলা তিনটায়।
কিন্তু টানা বৃষ্টিতে ম্যাচটি শুরু হয় রাত আটটা ৩৭ মিনিটে। শুরু হয় রোমাঞ্চে ঠাসা এক লড়াইয়ের।প্রথমবার এটিপি ১০০০-এর ফাইনালে খেলতে নেমেই ৭-৬ (৭-৪), ৭-৬ (৭-৪) গেমে জিতে ইতিহাস তৈরি করেছেন ১৯ বছর বয়সী মেনসিক।২০ মার্চ প্রথম রাউন্ডে রবের্তো বাউতিস্তার বিপক্ষে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচের আগে ওই চোট আঘাত করে মেনসিকের শরীরে। হাঁটুর সমস্যায় নিজেকে টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাতে রেফারিদের রুমে যান তিনি,কিন্তু তখন সবাই মধ্যাহ্নভোজের জন্য বাইরে ছিলেন।সেখান থেকে ফিরে তিনি ফিজিওথেরাপিস্টদের কাগজপত্রের কাজ এগিয়ে রাখতে বলেন। কিন্তু তারা তাকে সিদ্ধান্ত বদলানোর জন্য বোঝায়।
ভীষণ কঠিন সেই সময়ের কথা নিজেই শুনিয়েছেন মেনসিক।এরপর মেনসিক ফিজিওর কাছে গেলে তিনি বুঝতে পারেন চোট অতটা গুরুতর নয় এবং চিকিৎসা শুরু করেন।এতে একে সব বাধা পেরিয়ে তিনি পৌঁছে যান ফাইনালের মঞ্চে।যেখানে তার প্রতিপক্ষ জোকোভিচ ছিলেন শততম ক্যারিয়ার চ্যাম্পিয়নশিপ-র লক্ষ্যে, টেনিস ইতিহাসেই তার চেয়ে বেশি চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের রেকর্ড আছে কেবল জিমি কনর্স ১০৯ ও রজার ফেদেরারের ১০৩।









