গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

30 C
Kolkata
30 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle কোঁকড়া চুলের যত্ন

    কোঁকড়া চুলের যত্ন

    0
    3
    ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    নুডুলসের মতো নরম, ঢেউ খেলানো কোঁকড়ানো চুল,দেখতে দারুণ স্টাইলিশ, ব্যক্তির আলাদা এক উপস্থিতি তৈরি করে। ভিড়ের মধ্যে সহজেই নজর কাড়ে এই কোঁকড়া চুল। কিন্তু যতটা ইউনিক এই চুলের গঠন, ঠিক ততটাই চ্যালেঞ্জিং এর যত্ন নেওয়া।একটু এদিক-সেদিক হলেই চুল হয়ে যায় উস্কোখুস্কো, জট লাগে,আর সামলানো হয়ে ওঠে বেশ কঠিন।

    শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা,সারা বছরই কোঁকড়া চুল নিয়ে চিন্তা লেগেই থাকে। যেমন সকালে তাড়াহুড়ো করে শ্যাম্পু করে ভেজা চুল নিয়ে বের হলেন, আর বাইরে বেরোতেই হাওয়ায় উড়ে চুলের অবস্থা যেন কাকের বাসা, বিশেষ করে গরমে ঘাম আর আর্দ্রতায় এই সমস্যা আরো বাড়ে। জট পড়ে, ফ্রিজ বাড়ে, এমনকি চুল পড়ার সমস্যাও দেখা দেয়।তাই কোঁকড়া চুলের যত্নে কিছু বিশেষ টিপস আর ট্রিক্স আপনার জানা থাকলে এই চুল নিয়ে বেশি ঝামেলায় পড়তে হবে না। এই অবস্থায় কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির মাধ্যমে কোঁকড়া চুলের ভালো যত্ন নিতে পারা সম্ভব। প্রথমেই বলা ভালো,চুল ময়েশ্চারাইজ করুন।কোঁকড়া চুল স্বাভাবিকভাবেই শুষ্ক প্রকৃতির হয়, কারণ মাথার ত্বক বা মাথার চামড়া থেকে প্রাকৃতিক তেল সহজে পুরো চুলে ছড়িয়ে পড়ে না। তাই এই চুলের সবচেয়ে বেশি দরকার আর্দ্রতা,ময়েশ্চার।সেইসঙ্গে,নিয়মিত তেল ব্যবহার করা জরুরি।হালকা গরম নারিকেল, সরিষা বা অলিভ অয়েল দিয়ে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করলে চুলের গোড়া শক্ত হয় এবং আর্দ্রতা বজায় থাকে।শ্যাম্পু নির্বাচনের ক্ষেত্রেও খেয়াল রাখতে হবে—ময়েশ্চারাইজিং বা সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল কম শুষ্ক হয়। একই দিনে একাধিকবার শ্যাম্পু না করাই ভালো, কারণ এতে চুলের ন্যাচারাল অয়েল নষ্ট হয়ে যায়।সেইসঙ্গে,ডিপ কন্ডিশনিং করুন।কোঁকড়া চুলের জন্য কন্ডিশনিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ব্যস্ততার কারণে আলাদা সময় না থাকলে শ্যাম্পুর সঙ্গে কন্ডিশনার মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়।অন্যদিকে,ডিপ কন্ডিশনার চুলের ভেতরে গিয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখে, ফলে চুল নরম ও মসৃণ থাকে। সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পুর সঙ্গে কন্ডিশনার মিশিয়ে ধোয়ার পর চুল আরও হাইড্রেটেড থাকে এবং শুষ্কতা কমে যায়।ওদিকে,কোঁকড়া চুলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো জট। শুকনো অবস্থায় চুল আঁচড়ালে তা ভেঙে যেতে পারে। তাই ভেজা বা কন্ডিশনার লাগানো অবস্থায় জট ছাড়ানো সবচেয়ে নিরাপদ।বড় দাঁতের চিরুনি বা আঙুল ব্যবহার করলে চুলে চাপ কম পড়ে এবং ভাঙা কমে।এর বাইরে চুল শুকানোর সময় ঘষাঘষি করা ঠিক নয়। এতে চুল ভেঙে যায় ও শক্ত বা,ফ্রিজ হয়ে যায়।এদিকে নরম তোয়ালে বা সুতি কাপড়ের গামছা দিয়ে আলতোভাবে জল শুষে নেওয়া উচিত। চাইলে তোয়ালে দিয়ে চুল পেঁচিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দেওয়া যেতে পারে,এতে চুল ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে শুকায় এবং ক্ষতি কম হয়।হিট ট্রিটমেন্ট এড়িয়ে চলুন,হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেটনার বা অতিরিক্ত হিট স্টাইলিং কোঁকড়া চুলের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো চুলকে শুষ্ক করে তোলে এবং প্রাকৃতিক কোঁকড়া বা,কার্ল নষ্ট করে দেয়।

    একান্তই ড্রায়ার ব্যবহার করতে হলে ডিফিউজার অ্যাটাচমেন্ট ব্যবহার করা ভালো। এছাড়া অ্যালকোহলযুক্ত স্টাইলিং প্রোডাক্ট এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো চুল আরও শুষ্ক করে দেয়।