
আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন তথ্য পেতে হাসপাতালের প্রায় ৯০০ ঘণ্টার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের মামলায় সিবিআই এই ফুটেজকেই হাতিয়ার করতে চাইছে।
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় সোমবার শিয়ালদা আদালতে হাজির করানো হয়েছিল প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। তাঁদের দাবি, সন্দীপ এবং অভিজিতের গ্রেফতারির ৮৭ দিন পরেও ফুটেজ খতিয়ে দেখছে সিবিআই। তাই তাঁদের জামিন দেওয়া উচিত। যদিও সেই আবেদন খারিজ করেছে আদালত। ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দু’জনকে জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে। এদিকে, আর জি করে নিহত তরুণী চিকিৎসকের বিচারের দাবিতে ১২০ দিন কেটে গেলেও এখনও সুবিচার পাওয়া যায়নি। এরই প্রতিবাদে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্ল্যাটিনাম জুবলি বিল্ডিং এর অভয়ার প্রতীকী মূর্তির সামনে ফানুস উড়িয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এরপরই আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় পর্যন্ত মোমবাতি হাতে মিছিল করে গিয়ে সেখানে মানববন্ধন করে রাস্তা অবরোধ করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।
সেখান থেকে শ্যামবাজার মেট্রো ১ নং গেটের সামনে সমাবেশ করেছেন মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারের সদস্য ও আর জি করের জুনিয়র চিকিৎসকরা। একদম শেষে ফ্লাশ লাইট জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।








