
সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে হাইকোর্টের রায় খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে।একই সঙ্গে শীর্ষ আদালত রায় দিয়েছে, বাংলাদেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থার সংস্কার করা হবে।
কয়েক দিন ধরে সংরক্ষণ সংস্কারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে কারফিউয়ের রবিবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে কোটা নিয়ে শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্র পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল হাইকোর্টের আদেশ বাতিল চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। অন্যদিকে, পড়ুয়াদের পক্ষে বক্তব্য দেয়ার জন্য পাঁচ আইনজীবীকে অনুমতি দেয় আদালত।এদিন সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে অংশ নেওয়া নয় আইনজীবীর মধ্যে আট জনই হাইকোর্টের রায় বাতিল করার পক্ষে মত দিয়েছেন। এরপরেই বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশ। তবে সংরক্ষণ ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। দেশের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মোট সাত শতাংশ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে পাঁচ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য। বাকি দুই শতাংশ থাকবে অন্য শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত। ৯৩ শতাংশ নিয়োগই হবে মেধার ভিত্তিতে। পাশাপাশি আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরতে বলেছে আদালত। এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের রায় কিছুটা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সরকারের পক্ষেই। এদিন শুনানির পর বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দীন বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে হাইকোর্টের রায় বেআইনি ছিল।









