
বারামতীতে আছড়ে পড়া বম্বার্ডিয়ার লিয়ারজেট ৪৫ বিমানের ককপিটে ছিলেন দু’জন। ক্যাপ্টেন, পাইলট-ইন-কমান্ড সুমিত কুমার এবং ফার্স্ট অফিসার, সহ-পাইলট শম্ভবী পাঠক।
মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারকে মুম্বই থেকে বারামতীতে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিলেন তাঁদের উপরেই। দুর্ঘটনায় অজিত এবং বাকিদের সঙ্গে মৃত্যু হয়েছে দুই পাইলটেরও।বিমানের সহ-পাইলট শম্ভবীর লিঙ্কডইন হ্যান্ডল থেকে জানা যায়, তিনি বায়ুসেনার স্কুলের পড়াশোনা করেছেন। মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিজ্ঞানের স্নাতক পরে নিউ জিল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল কমার্শিয়াল পাইলট অ্যাকাডেমি’তে নাম লেখান। বিমানের ক্যাপ্টেন সুমিতও এক জন অভিজ্ঞ পাইলট। বিজনেস জেট চালানোর দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। লিয়ারজেট ৪৫ বিমানের উড়ান থেকে অবতরণ পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন তিনিই। এদিকে, বারামতীতে আছড়ে পড়ার আগে ঠিক কী ঘটেছিল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমানে?
সেই তথ্য এ বার প্রকাশ্যে আনল কেন্দ্র। প্রকাশ করা হয়েছে কিছু কথোপকথনও। সেখানে পাইলটের সঙ্গে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল এটিসি-র শেষ মুহূর্তের কথোপকথন প্রকাশ্যে এসেছে। ককপিট থেকে এটিসি-কে বলা হয়, তাঁরা রানওয়ে দেখতে পাচ্ছেন না। পরে অবশ্য পাইলটেরা জানান, রানওয়ে দেখা গিয়েছে। তবে শেষে ভেঙে পড়ে বিমানটি।








