
বিষাক্ত স্যালাইনে প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগের তদন্তে স্বাস্থ্যভবনের ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল গিয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে। ওই দলে রয়েছেন স্বাস্থ্য দফতরের ৩ পদস্থ আধিকারিক, বিভিন্ন বিভাগের ৬ জন চিকিত্সক।
দলে রয়েছেন রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলের ৪ জন ড্রাগ ইন্সপেক্টর। হাসপাতালের অধ্যক্ষ, সুপারের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি স্যালাইন, ওষুধ সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহ করে কেন ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখেছেন ড্রাগ ইন্সপেক্টররা। যারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাদের চিকিৎসা ঠিকমত চলছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন প্রতিনিধিরা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ জুনিয়র চিকিৎসকদের দিয়ে অপারেশন করা হয়েছে।
সেই বিষয়টিও দেখছেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে স্যালাইন হাসপাতালে পৌঁছল, যেই ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে তার ব্যাচ নম্বর, নমুনাও সংগ্রহ করেছেন ড্রাগ ইন্সপেক্টররা।








