
এখন কাজের চাপ দিন দিন যে ভাবে বাড়ছে, তাতে শরীর ও মন দুই ভাল রাখাই দায়। সারা ক্ষণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে দুই চোখই ক্লান্ত।
অফিসে কাজের চাপ সামলাতে গিয়ে মনও বিধ্বস্ত।সর্বসময়েই উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা কাজ করে। পেশাগত জীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের জটিলতা দূর করা সহজ নয়।তবে সাময়িক ভাবে মনের আরাম পেতে সকলেই চান। সে জন্য বেশি কিছু করার দরকার নেই, কাজের জায়গাটিই সাজিয়ে নিন এমন ভাবে যাতে ক্লান্তি ও উদ্বেগ কেটে যায় নিমেষে। এই অবস্থায় মনকে আরাম দিতে গাছের চেয়ে ভাল কিছু হতে পারে না। মনোবিদেরা বলেন, শরীর ও মন সতেজ রাখতে রোজ অন্তত কিছু ক্ষণ প্রকৃতির মাঝে কাটালে ভাল।কিন্তু ব্যস্ততার সময়ে তা সকলের পক্ষে করা সম্ভব হয় না। তাই এক টুকরো সবুজকেই তুলে আনুন চোখের সামনে। কাজ বাড়িতে বসে করুন বা অফিসে, আপনার কাজের জায়গা বা ডেস্ক সাজিয়ে নিন কিছু গাছ দিয়ে।এখন প্রশ্ন হল,কী কী গাছ রাখলে চোখ ও মনের আরাম হবে? পিস লিলি রাখতে পারেন।লম্বাটে গাঢ় সবুজ চকচকে পাতার সঙ্গে সাদা ফুলের যুগলবন্দি দারুণ লাগে।আর ঠিক সেই কারণেই ঘর সাজানোর জন্য অনেকেরই পছন্দ পিস লিলি।তবে শুধু সাদা নয়, গোলাপি, হলুদ রঙের ফুলও ফোটে এই গাছে। কাজের জায়গায় এই গাছ রাখলে ও সঠিক ভাবে যত্ন নিলে, মন ভাল থাকবে।স্নেক প্ল্যান্ট রাখতে পারেন।এই গাছ ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ করতে পারে।বাতাসে ভাসমান দূষিত কণা ও কার্বন-ডাই অক্সাইড টেনে নেয়। রাতের বেলাও অক্সিজেন ত্যাগ করে, ফলে ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ থাকে। শুদ্ধ বাতাস শরীর ও মন ভাল রাখতে সাহায্য করে।জ়েড প্ল্যান্ট রাখতে পারেন।ছোট ছোট গোলাকার সবুজ পাতা জ়েড প্ল্যান্ট ঝাঁকড়া হয়ে ছেয়ে থাকে। জ়েড প্ল্যান্ট ঘরে বা কাজের জায়গায় রাখলে সেই জায়গার শোভা বাড়াবে। এই গাছের সৌন্দর্য মানসিক ক্লান্তি কাটাবে।পেপারোমিয়া,কোনওটির পাতা ঘন সবুজ, কোনওটিতে আবার তরমুজের মতো সাদা লম্বাটে দাগ। কোনওটিতে সবুজ, সাদা পাতার ধার বরাবর গোলাপির ছোঁয়া।বিভিন্ন ধরনের পেপারোমিয়া গাছ হয়। বৈচিত্র থাকে পাতায়। অল্প যত্নআত্তিতে বেড়ে ওঠা গাছটি ডেস্কে রাখলে চোখ ও মনের আরাম হবে।স্পাইডার প্ল্যান্ট রাখতে পারেন।
স্পাইডার প্ল্যান্ট কার্বন মনোক্সাইড এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ শোষণ করে বাতাসকে বিশুদ্ধ রাখে। এর লম্বা পাতাগুলি দৃষ্টিনন্দনও বটে। পোষ্যদের জন্যও এই গাছ ক্ষতিকর নয়।









