
আত্মসমর্পণ না করতে পেরে আদালত থেকে ফিরতে হল আখতার আলিকে। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে আলিপুর সিবিআইয়ের বিশেষ কোর্টে আত্মসমর্পণের জন্য গিয়েছিলেন আর জি কর হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার।
যদিও আত্মসমর্পণের আগে কোর্টে যে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হয় তা দেননি আখতার আলি। সেই সময় আদালতে সিবিআই-র কোনও প্রতিনিধিই ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত আত্মসমর্পণ না করতে পেরে ফিরতে হয়েছে আখতার আলিকে। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতেই শনিবার নার্সিং হোম থেকে সোজা আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতে আত্মসমর্পণ করতে যান আখতার আলি। শুক্রবার তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন বিচারক। আদালতে ঢোকার সময় তিনি জানিয়েছেন যে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হচ্ছে সেটা দাদার চিকিৎসার জন্য ধার নিয়েছিলেন। এখন চক্রান্ত করে ফাঁসানো হচ্ছে। দুর্নীতির অভিযোগ তোলা আখতার আলিকেই গত বছর নভেম্বরে দুর্নীতির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।
তাঁর বিরুদ্ধে সরঞ্জাম পাইয়ে দেওয়ার বদলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু ইস্তফা গ্রহণ না করে আখতার আলিকে সাসপেন্ড করে স্বাস্থ্য দফতর। তিনিই আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রথম দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন।








