
পুলিশ-জনতার খণ্ডযুদ্ধে রণক্ষেত্র পাক অধিকৃত কাশ্মীর। বিক্ষোভকারীদের উপরে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের পুলিশ ও সরকারের বিরুদ্ধে।
ঘটনায় তিনজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে তাঁরা গুলিতেই মারা গিয়েছেন কি না, স্পষ্ট নয়। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। হাসপাতালে আহতদের ভর্তি করানো হয়। ছাত্র এবং মহিলাদের কান্নার ছবি ধরা পড়েছে ভিডিয়োতে। এই ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন অন্তত ৭০ জন। সূত্রের দাবি, ওই অঞ্চলে উৎপন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে পাকিস্তানের অন্যান্য শহরে। তা নিয়ে ক্ষুব্ধ অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা। এরই মধ্যে জম্মু-কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি নামে একটি স্থানীয় সংগঠনের তরফে গত মাসে গোটা রাজ্য থেকে মুজফ্ফরাবাদগামী একটি মিছিলের ডাক দেওয়া হয়। তার আগে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ মুজফ্ফরাবাদ ও মিরপুরে হানা দিয়ে ওই সংগঠনের বহু নেতাকে গ্রেফতার করে। তার প্রতিবাদে শুক্রবার উপত্যকায় হরতালের ডাক দেওয়া হয়। মুজফ্ফরাবাদ-সহ সামাহনি, সেহানসা, মিরপুর, রাওয়ালকোট, হাত্তিয়ান বালা, খুইরাট্টা, তত্তপানি-সর্বত্রই হরতাল পালিত হয়।









