
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইস্তফা এবং দেশত্যাগের পরেও বাংলাদেশে রক্তক্ষরণ অব্যাহত। ইতিমধ্যে মৃতের সংখ্যা ৪৫০ ছড়িয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা শহরের সিনেমা হল পাড়ায় আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্র লীগের আহ্বায়কের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। এই অগ্নিকাণ্ডে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন চাকলাদারের মালিকানাধীন পাঁচ তারা হোটেলে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। ওই সময় হোটেলের ভিতরে অনেকে আটকে পড়েন। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।নোয়াখালির সোনাইমুড়ি এবং চাটখিল থানায় আগুন লাগিয়ে দেন বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা।চাটখিল থানায় বিক্ষোভকারীরা ইটবৃষ্টি করেন। পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে তিন জনের মৃত্যু হয়। এরপরেই উত্তেজিত জনতা থানায় আগুন ধরিয়ে দেন। নোয়াখালি জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, চাটখিলে কোনও পুলিশ আহত হননি।তবে সোনাইমুড়িতে এক পুলিশ আধিকারিক এবং একজন কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। অপর এক আধিকারিক গুরুতর আহত হয়েছেন।বরিশালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রাক্তন মেয় সাদিক আবদুল্লাহের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন বিক্ষুব্ধ জনতা। আগুন নেভানোর পর ওই বাড়ি থেকে তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঝিনাইদহে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। পুড়ে মারা গিয়েছেন চেয়ারম্যান-সহ তিন জন। তাঁর চালককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। এভাবে ঢাকা-সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘাতে একদিনে নিহত হয়েছেন অন্তত ১০৯ জন।









