
ফেলে দেওয়ার জিনিস থেকেও ত্বকের যত্ন নেওয়া যায়। সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেলে দেওয়া কলার খোসাই হয়ে উঠতে পারে প্রাকৃতিক ফেশিয়ালের সস্তা ও কার্যকর বিকল্প।
শুধু তাই নয়, বলিউড তারকা এবং মিস শ্রীলঙ্কা জ্যাকলিন ফার্নান্দেজও ত্বকের যত্নে এই ঘরোয়া উপকরণ ব্যবহার করেন।সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে কলার খোসা দিয়ে ফেশিয়াল করার একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। তখন থেকেই ফের আলোচনায় উঠে এসেছে এই সহজলভ্য ত্বকচর্চার পদ্ধতি।এখন প্রশ্ন হল,কেন ব্যবহার করবেন কলার খোসা? সম্প্রতি,এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কলার খোসায় রয়েছে ফ্ল্যাভোনয়েডস, ক্যারোটিনয়েডস ও ফেনোলিক যৌগ, যা ত্বককে ফ্রি র্যাডিকালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। ফলে বয়সের ছাপ পড়ে দেরিতে।এছাড়া কলার খোসায় থাকা ট্রিগোনেলাইন, ফেরুলিক অ্যাসিড ও আইসোভ্যানিলিক অ্যাসিড ত্বকের প্রদাহ বা র্যাশ কমাতে সাহায্য করে।একইসঙ্গে,ত্বকে আনে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা,গবেষণা বলছে, কলার খোসা ত্বকের মেলানিন উৎপাদন হ্রাস করে, যার ফলে কমে কালচে দাগ, ছোপ ও অমসৃণ ভাব। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয় মসৃণ ও উজ্জ্বল।অন্যদিকে,কলার খোসার নির্যাসে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে লাগাম টানে।এখন প্রশ্ন হল কিভাবে করবেন কলার খোসা দিয়ে ফেশিয়াল?পদ্ধতিটি একেবারেই সহজ এবং খরচ সাশ্রয়ী। একটি পাকা কলা নিন, খোসা ছাড়িয়ে ফলটি খেয়ে ফেলুন।প্রথমে মুখ ফেসওয়াশ দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।এবার কলার খোসার ভেতরের দিকটি মুখে আলতো করে ঘষুন।১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।শেষে উষ্ণ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
সপ্তাহে অন্তত দুই দিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে ত্বকে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন দেখা যায়।শেষে একটা কথা,যদিও কলার খোসা প্রাকৃতিক ও তুলনামূলকভাবে নিরাপদ, তবুও যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তারা ব্যবহার শুরুর আগে একবার প্যাচ টেস্ট করে নিতে পারেন।









