
বক্স অফিসের নতুন রাজা এখন কিং অব পপ, মাইকেল জ্যাকসন। পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে নির্মিত বায়োপিক মাইকেল মুক্তি পেয়েই বিশ্বজুড়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছে।
মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই সিনেমাটি আমেরিকায় ৯৭ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাপী ২১৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে ইতিহাস গড়েছে।বায়োপিক বা জীবনীমূলক সিনেমার ক্ষেত্রে এটি এখন পর্যন্ত সর্বকালের সেরা ওপেনিং।এর আগে ২০১৫ সালের স্ট্রেট আউটা কম্পটন ৬০ মিলিয়ন ডলার এবং ২০১৮ সালের বোহেমিয়ান র্যাপসোডি ৫১ মিলিয়ন ডলার যে রেকর্ড গড়েছিল, মাইকেল সেগুলোকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে। চলতি বছরে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর মধ্যে আয়ের দিক থেকে এটি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।তবে সমালোচকরা সিনেমাটি নিয়ে খুব একটা সন্তুষ্ট নন। রটেন টমেটোজে মাত্র ৩৮% ইতিবাচক রিভিউ থাকলেও সাধারণ দর্শকরা এটি দারুণভাবে পছন্দ করেছেন।সিনেমাস্কোরের জরিপে দর্শকরা একে,এ মাইনাস গ্রেড দিয়েছেন। টিকিট ক্রেতাদের মধ্যে বড় একটি অংশ ছিলেন মহিলা এবং ২৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষ। অ্যান্টোইন ফুকা পরিচালিত এই সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের ছোটবেলা থেকে বিশ্বসেরা তারকা হয়ে ওঠার গল্প দেখানো হয়েছে।মাইকেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারই আপন ভাগ্নে জাফর জ্যাকসন।প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি তৈরিতে যৌথভাবে কাজ করেছে লায়ন্সগেট, ইউনিভার্সাল ও মাইকেল জ্যাকসন এস্টেট।সমালোচকদের মতে, জ্যাকসনের জীবনের পরবর্তী সময়ের শিশু নির্যাতনের অভিযোগগুলো এখানে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।
মূলত আইনি জটিলতার কারণে চিত্রনাট্যে কিছু পরিবর্তন এনে ১৯৮৮ সালের ‘ব্যাড’ ট্যুর পর্যন্ত কাহিনি রাখা হয়েছে।তবে সিনেমার ব্যাপক সাফল্যের কারণে লায়ন্সগেট কর্তৃপক্ষ মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে আরো সিনেমা নির্মাণের কথা ভাবছে।









