
বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনীতির সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। এই সমস্যা স্থায়ীভাবে মেটানো সম্ভব একমাত্র সার্জারি চালিয়ে। এমনই মন্তব্য করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে, বিশেষত উত্তর-পূর্বের ক্ষেত্রে। শিলিগুড়ি করিডর, যাকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান চিকেন করিডর বলে থাকে, সেই অঞ্চলকে দেশের বৃহত্তম কৌশলগত উদ্বেগের জায়গা বলে ব্যাখ্যা করেন হিমন্ত। তাঁর পরামর্শ, এই অঞ্চলের সুরক্ষার জন্য ভারতকে আরও ২০-২২ কিমি এলাকা দখলে নিতে হবে। তা সে কূটনীতির মাধ্যমে হোক, কিংবা বলপূর্বক কেড়ে নিতে হবে। তিনি ডাক্তারি পরিভাষায় বলেন, যখন ওষুধে আর কোনও কাজ না হয়, তখন স্থায়ী বেদনা নিরাময়ে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়ে।
এদিকে, জমি দখলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত অসম ৷ কার্বি আংলং স্বায়ত্ত্বশাসিত পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য তথা বিজেপি নেতা তুলিরাম রংহাং-এর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিলেন বিক্ষোভকারীরা। পাল্টা পুলিশের গুলিতে আহত হন ৪ জন ৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ১৬৩ জারি করেছে প্রশাসন ৷









