
জহর সরকারকে ব্যক্তিকেন্দ্রীক বলে আক্রমণ করে তাঁকে টিকিট দেওয়ার দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সৌগত রায়। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের কথায় এই ধরণের মানুষদের মনোনয়ন দেওয়াই ঠিক নন।
তিনি আরও বলেছেন এই ধরণের মানুষের দলের প্রতি কোনও দায় বদ্ধতা নেই। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগও নেই। জহর সরকার যে উদ্বেগগুলো প্রকাশ করেছেন বা ওনার যে কিছু কিছু পর্যবেক্ষণ রয়েছে তার কিছু বিষয়ের সঙ্গে কোনওরকম দ্বিমত পোষণ করছেন না। এমনটাই বলেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দল এমন কোনও পদক্ষেপ নিক যাতে সাধারণ মানুষের কিছু ইস্যুভিত্তিক ক্ষোভ প্রশমন করা যায়। যদিও তৃণমূলের দেবাংশু ভট্টাচার্য সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন একজন ছেড়েছেন আর একজনও ছাড়ুন। স্রোতের অনুকূলে তো কচুরিপানাও ভাসে, যদি উল্টোদিকে সাঁতার না জানে, তবে মানুষ জন্ম বৃথা। যুদ্ধের সময় যারা পালায় বা গা বাঁচিয়ে চলে ইতিহাস তাদের লজ্জার নজরে দেখে।









