
আগের থেকেই ঘটনাস্থলে ওঁৎ পেতে ছিল দুষ্কৃতী। তৃণমূল নেতা পিন্টু চক্রবর্তী বাইকে উঠতেই পিছন থেকে কাটারি দিয়ে ঘাড়ে আঘাত করে। এরপর মাটিতে পড়ে যেতেই এলোপাথাড়ি কোপ। কোন্নগরে তৃণমূল নেতাকে নৃসংশ খুনের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে।
পুলিশ জমি কেনা বিক্রি নিয়ে অশান্তির জেরে খুনের কথা বললেও পরিবারের দাবি তৃণমূলের বড় পদ পাওয়ার কথা ছিল পিন্টু চক্রবর্তীর। এর পিছনে বড় মাথা রয়েছে বলে দাবি করেছে পরিবারের লোকজন। ইতিমধ্যেই খুনের অভিযোগে বারাসত, বেলঘরিয়া থেকে পিন্টুর ব্যবসায়ীক পার্টনার বিশ্বজিৎ প্রামাণিক ওরফে বিশা এবং দুই সুপারি কিলারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ডিসিপি শ্রীরামপুর অর্নব বিশ্বাস সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন জমি বিবাদেই খুন করা হয়েছে কানাইপুর পঞ্চায়েত সদস্য পিন্টু চক্রবর্তীকে। কানাইপুরের বাসিন্দা পিন্টুর ব্যবসায়ীক পার্টনার বিশাই খুনের মাস্টারমাইন্ড। পিন্টুকে খুন করতে সুপারি কিলার নিয়োগ করেছিল। এজন্য ৩ লাখ টাকাও দেয়। খুনের ২ দিন আগেই সোমবার খুনিরা বিশার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। এরপর রীতিমত রেইকি করে বুধবার কানাইপুর অটোস্ট্যান্ডের কাছে নিজের গ্যাসের দোকানের সামনে খুন হন পিন্টু চক্রবর্তী।
খুনের পর কিছুটা হেঁটে এগিয়ে গিয়েছিল দুই ভাড়াটে খুন। এরপর তাদের স্কুটিতে করে স্টেশন পর্যন্ত ছেড়ে দেয় বিশাই। যদিও জমি বিবাদে খুনের অভিযোগ মানতে নারাজ পরিবার। তাদের দাবি তৃণমূলের ব্লক প্রেসিডেন্ট পদ পাওয়ার কথা ছিল। তাই খুনের পিছনে রাজনৈতিক কারণ থাকতে পারে।






