
নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত ও দাগওয়ালা ছবি ঠিক করা সাধারণত খুব সময়সাপেক্ষ ও যত্নশীল কাজ। যার জন্য কয়েক সপ্তাহ ও বছর এমনকি দশক সময় লাগতে পারে।তবে এ ঘটনাকে পুরোপুরি বদলে দিতে পারে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি বা এমআইটি’র তৈরি নতুন এক পদ্ধতি।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ও বিশেষ এক ধরনের প্রিন্ট করা মাস্ক ব্যবহার করে গবেষকরা এমন এক উপায় উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে নষ্ট ছবি ঠিক হবে কেবল কয়েক ঘণ্টায় এবং এতে করে ছবির মূল অবস্থাও বদলে যাবে না বলে দাবি তাদের।
এ কৌশলটি তৈরি করেছেন এমআইটি’র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থী ও একজন শখের চিত্রকর্ম সারাইকারী অ্যালেক্স ক্যাশকিন। তিনি বিজ্ঞানী, আবার ছবি ঠিক করার কাজও ভালোবাসেন।এ পদ্ধতিতে ডিজিটাল টুল ও ভৌত উপকরণের সংমিশ্রণ ব্যবহার করেছেন ক্যাশকিন। এ পদ্ধতিতে খুব পাতলা ও খুলে ফেলা যায় এমন ফিল্ম ব্যবহার করে আসল ছবির ওপর ডিজিটালভাবে ঠিক করা ছবির অংশ বসাতে পারেন পুরনো ছবির সারাইকর্মী।শত শত বছর ধরে কোনও ছবি ঠিক করার মানে ছিল এর ছোট ছোট নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশ বা দাগ খুঁজে বের করে তা খুব যত্ন সহকারে হাতে রং করে ঠিক করা। এজন্য রং মিশিয়ে আসল ছবির মতো রং বানাতে হত।কিছু ছবিতে নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশ বা দাগের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। ফলে এসব ছবির প্রতিটা অংশে আলাদা করে যত্ন নিতে হয়।
এ কাজ খুবই কঠিন ও শ্রমসাধ্য। এ কাজে বিশেষজ্ঞের ভালো বিচার ও দক্ষ হাতের প্রয়োজন হয়। আসলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিজিটাল টুল বিশেষজ্ঞদের সাহায্য করেছে ভার্চুয়ালভাবে ছবি ঠিক করতে। আগে কেবল ছবি বা চিত্রকর্মের ঠিক করা ভার্সন কম্পিউটার স্ক্রিন ও প্রিন্ট বা ছাপা মুদ্রণেই দেখা যেত। তবে ছবি বা চিত্রকর্মের এসব ডিজিটাল ভার্সন এখন পর্যন্ত সহজে মূল শিল্পকর্মে ফিরিয়ে আনা যায়নি।









