
নয়াদিল্লি থেকে পাঠানো প্রেস নোটকে বাংলাদেশ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ভারতের দাবি অনুযায়ী নয়াদিল্লির বাংলাদেশ দূতাবাসের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙার চেষ্টা হয়নি।
বরং ২০-২৫ জন যুবক ময়মনসিংহে দিপুচন্দ্র দাসের হত্যার প্রতিবাদে স্লোগান দিয়েছে। তবে ভারতের প্রেস নোটে এ বিষয়টি সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ পুরোপুরি গ্রহণ করছে না। বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, হিন্দু চরমপন্থী মাত্র ২০-২৫ জনের দল কূটনৈতিক এলাকায় এত গভীরে প্রবেশ করতে পারবে কেন? এটা স্পষ্টভাবে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন। একজন বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা কেন সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা অপ্রাসঙ্গিক।
বাংলাদেশ এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি আরো বলেছেন, দূতাবাসের ভেতরে থাকা কর্মকর্তারা নিরাপত্তা শঙ্কা অনুভব করেছেন, যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না।









