
কলকাতায় আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধারের বাড়িতে ইডি তল্লাশির ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন সপা প্রধান অখিলেশ যাদব সহ অন্যান্যরাও। পাশাপাশি সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সদস্য সাকেত গোখলে ও সাগরিকা ঘোষ।
লোকসভার সাংসদ মহুয়া মৈত্র সহ অন্যান্যরাও। সপা প্রধান অখিলেশ যাদব এক্স বার্তায় লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে কাজ করা সংস্থা আইপ্যাকে অভিযান চালিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইপ্যাক সদর দফতরে পৌঁছেছেন।পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার আগেই, ইডি আবারও তাদের উপস্থিতি প্রকাশ করেছে। যদি কোনও অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য সমস্যা তৈরি করবে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এক্স বার্তায় লিখেছেন, তথ্য, সত্যতা বা বিশ্বাসযোগ্যতা অনুসন্ধানে ব্যর্থ হওয়ায় ইডি এখন রাজনৈতিক পরামর্শদাতাদের উপর অভিযান চালাচ্ছে। এর প্রতিবাদে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলে এক্সবার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কাঠগড়ায় তুলে আক্রমণ শানিয়ে লিখেছেন, বাংলাকে নিয়ে মোদী-শাহের নোংরা কৌশল এবার এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।
প্রায় একই সুরে তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ সাগরিকা ঘোষ লিখেছেন, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অফ ইন্ডিয়া এখন নিজেকে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহের ইলেকশন ডিপার্টমেন্টে পরিণত করে দিয়েছে। একইভাবে তৃণমূলের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র এক্স বার্তায় লিখেছেন, ইডি বিজেপির কথামতো তল্লাশি চালাচ্ছে। ২০২৬ সালের বাংলার জন্য কৌশলগত নথি, প্রার্থী তালিকা ইত্যাদি শেষ প্রচেষ্টা।









