
চ্যাটজিপিটি, ডিপসিক-এর মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন অ্যাপ্লিকেশনগুলিকে অফিসের কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্রাদিতে ব্যবহার করা যাবে না, সম্প্রতি এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক।
এই অ্যাপগুলি থেকে সরকারি নথি ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা করছে কেন্দ্র। অর্থ মন্ত্রকের অধীনে থাকা সব অফিসের কর্মীদের এ বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাচক্রে, বুধবারই কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করেছেন চ্যাটজিপিটি কর্তা স্যাম অল্টম্যান।এদিকে অর্থ মন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ ওই নির্দেশিকায় যুগ্মসচিব প্রদীপকুমার সিংহ জানিয়েছেন, অর্থসচিবের অনুমতিক্রমেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খবর,কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমৃদ্ধ কোনও অ্যাপ অফিসের যন্ত্রে ব্যবহার হলে সরকারি গোপন নথি এবং তথ্য ফাঁস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছে মন্ত্রক।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে,এই অ্যাপগুলি গোপনীয় তথ্য এবং নথির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। উল্লেখ্য,সরকারি দফতরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমৃদ্ধ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে এই সাবধানতা ভারত ছাড়া অন্য দেশগুলিতেও দেখা গিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া এবং ইটালিতেও সম্প্রতি সরকারি যন্ত্রাদিতে ডিপসিক ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।ঘটনাচক্রে, বুধবারই চ্যাটজিপিটি-র নির্মাতা সংস্থা ওপেন এআই কর্তা স্যাম অল্টম্যানের ভারতে এসেছেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ভারতের আগামীর রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রীর সঙ্গে। বৈঠকের পরে অশ্বিনী বৈষ্ণব সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন সুপার কুল আলোচনা হয়েছে তাঁদের।









