
বিগত এক বছরে কর্মসূত্রে ঘন ঘন কলকাতায় এসেছেন জয়া আহসান।কখনও শুটিংয়ের খাতিরে থাকতে হয়েছে।
আবার কখনও বা সিনেমার প্রচারের ফাঁকে টলিপাড়ার পার্টি-প্রিমিয়ারেও অংশ নিতে গিয়েছে অভিনেত্রীকে।ফেব্রুয়ারি মাসের পয়লা সপ্তাহেই তিলোত্তমায় পা রেখেছিলেন সৌকর্য ঘোষালের ওসিডি ছবির প্রচারের জন্য। তবে রমজানের মরশুম শুরু হতেই বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছেন জয়া। সেখান থেকেই উদযাপনের ঝলক ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।পবিত্র রমজানের মরশুম মানেই পদ্মাপাড়ে সাজসাজ রব। আমজনতার মতো ঢাকার সেলেব পাড়ার অন্দরেও অতিরিক্ত গ্ল্যামারের ছটা। রকমারি পদ, ফলাহার, সুস্বাদু হালিমে জমাজমাট ইফতারি আড্ডা। জয়া আহসানের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।কাজের সূত্রে দীর্ঘদিন বাংলাদেশের বাইরে কাটানোয় আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সেভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাননি জয়া। তাই উৎসবের মরশুমে পরিজনদের নিয়ে খানাপিনা আর খাঁটি আড্ডায় মেতেছেন অভিনেত্রী। খবর, ওসিডি’র প্রচারের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি কাজ সেরে ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ফিরেছেন জয়া আহসান। আর ফিরেই কাছের মানুষদের নিয়ে উৎসবে মেতেছেন। কেমন চলছে জয়া আহসানের রমজান পালন? রাতে বোনের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন জয়া আহসান। সেখানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইফতারি আড্ডায় মাতেন তিনি। নায়িকার শেয়ার করা ভিডিওতেই দেখা গিয়েছে, টেবিলে সাজানো থরে থরে রকমারি পদ। ফ্রুট স্যালাড, হালিম, ভর্তা থেকে মুখরোচক ভাজাভুজি, শেষপাতে মিষ্টি… কী নেই মেনুতে? তবে জয়া জানিয়েছেন, তাঁর বোন খুব স্বাস্থ্য সচেতন। হেলদি ডায়েটে বিশ্বাসী। তাই সেকথা মাথায় রেখেই ইফতারের মেনুতে স্বাস্থ্যকর সব পদ ঠাঁই পেয়েছে।বিটরুট, গাজরের রস থেকে রকমারি মরশুমি ফল,মুড়ো ভর্তার মতো নানা পদ ছিল।
জয়া নিজেও রোজা রাখছেন। পাশাপাশি পরিবারের জন্য হেঁশেলে রান্নাবান্নাও করছেন।









