
বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৎস্যজীবীদের উপর অত্যাচার হয়েছে, যার জেরে অনেকে পা-কোমরে চোট পেয়েছেন। গঙ্গাসাগরে মৎস্যজীবীদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এমনই অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের এবং পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্ক খুবই ভালো। কিন্তু একটা পরিস্থিতি এমন হল যে চোখে জল এসে যাওয়ার মতো। জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন, আহত মৎস্যজীবীদের ভালোভাবে চিকিৎসা করানোর জন্য। শুধু তাই নয়, মৃত মৎস্যজীবীর পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যও করেছেন তিনি। এছাড়াও, প্রত্যেক মৎস্যজীবীর পরিবারের হাতে ১০ হাজার টাকাও তুলে দিয়েছেন তিনি। গত অক্টোবরে কাকদ্বীপ, নামখানার ৬টি মাছ ধরার ট্রলার-সহ মোট ৯৬ জন মৎস্যজীবী বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়ার অভিযোগে সে দেশের নৌবাহিনীর হাতে আটক হন।
একজন জলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বাকি ৯৫ জনকে নিয়ে পটুয়াখালির জেলে রাখা হয়। আর সেই জেলেই তাঁদের উপর অত্যাচার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।








