
দিকে দিকে ‘ভূত’ বেরচ্ছে রাজ্যের ভোটার তালিকায়একই এপিক নম্বরে একাধিক নাম থাকা মানে ভুয়ো ভোটার নয়। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিবৃতির দিনেই এরাজ্যে ভোটার লিস্টে বিস্তর গরমিল ধরা পড়েছে।
কোথাও বাবার থেকে মেয়ের বয়স বেশি, কোথাও আবার জোড়া ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রীর। কোথাও আবার বাদ পড়েছেন আসল ভোটাররাই। ভূতুরে ভোটার খুঁজতে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরতেই বিভিন্ন অভিযোগ সামনে আসছে। উল্টোডাঙায় ভূতুড়ে ভোটার খুঁজতে গিয়ে আসল ভোটারদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ পড়ায় প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অনিন্দ্য রাউত। অন্যদিকে কাটোয়ার দাঁইহাটে ভোটার তালিকায় ভূতুড়েকাণ্ড। ভোটার লিস্টে দাঁইহাটের বাসিন্দা রাহুল বণিকের বয়স ৩৩, তার মেয়ের বয়স ৩৪। মেয়ে আবার চন্ডীগড়ের বাসিন্দা। এদিকে রাহুলের মায়ের দাবি ছেলের বিয়েই হল না মেয়ে এল কোথা থেকে। অন্যদিকে মাথাভাঙার বুথ তৃণমূল সভাপতির এপিক নম্বরে উত্তর প্রদেশের বাসিন্দার নাম। খোঁজ মিলেছে ৫০ জন ভুতুড়ে ভোটারেরও। অন্যদিকে নদিয়ার তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী শেষগলি খাতুনের নাম কালীগঞ্জ এবং নাকাশিপাড়ার ভোটার লিস্টে। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে বিজেপি।
এদিকে ভূতুড়ে ভোটার ধরতে রবিবার হাওড়ার শিবপুরে বাড়ি বাড়ি ঘুরেছেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়। অন্যদিকে ভুয়ো ভোটার ধরতে পথে ছিলেন কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়াও।






