
আর জি করকাণ্ডের মধ্যেই এসএসকেএমের আউটডোর ভবনের চারতলার ঘরে মিলল হাসপাতাল কর্মীর দেহ। গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি বিভাগের চারতলার ঘর থেকে ইমরান সর্দারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে।
তিনি হাসপাতালে সাফাইকর্মীর কাজ করতেন। যে ঘর থেকে দেহ উদ্ধার হয়েছে সেখানে রোগীদের তিনটি বেড ছিল। আউটডোর শুরু না হওয়ায় ওই ঘরে কোনও রোগী ছিলেন না। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল।
দরজা ভেঙে ইমরান সর্দারের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান আত্মঘাতী হয়েছেন ইমরান। ঠিক কি কারণে মৃত্যু খতিয়ে দেখছে পুলিশ।







