
মহাযুতি না মহা বিকাশ আগাড়ি। মহারণের ফলপ্রকাশের প্রহর গুনছে মহারাষ্ট্র। শনিবার মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হবে।
আর তারপরই জানা যাবে দেশের সবথেকে বড় অর্থনীতির রাজ্যের আসনে কে বসতে চলেছে।
২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন কমপক্ষে ১৪৫টি আসনে জয়। অতীতে মহারাষ্ট্রে সরকারের মেয়াদ পূরণের আগেই পালাবদল হয়েছে। ২০১৯ সালে শিবসেনা, এনসিপি ও কংগ্রেসের মহা বিকাশ আগাড়ির জোট সরকার গড়লেও, ২০২২ সালে শিবসেনায় ফাটল ধরে। একনাথ শিন্ডে শিবসেনা থেকে বেরিয়ে নতুন শিবসেনা তৈরি করেন। বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকারও গড়েন।একইভাবে কয়েকমাস পর এনসিপি-তেও ফাটল ধরে। কাকা শরদ পাওয়ারের হাত ছেড়ে অজিত পাওয়ার বিধায়কদের নিয়ে বিজেপি-শিবসেনা সরকারে যোগ দেন। এবারের নির্বাচনে মুখোমুখি লড়াই মহাযুতি বনাম মহা বিকাশ আগাড়ির।অন্যদিকে, শনিবারই ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ। স্ট্রং রুম থেকে রেজাল্ট বেরনোর অপেক্ষা করছেন ঝাড়খণ্ডের শাসক-বিরোধী নেতারা।ঝাড়খণ্ডে মোট ৮১টি বিধানসভা আসন রয়েছে, সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ৪২টি আসনে জয়। ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও কংগ্রেসের জোট জয়ী হয়েছিল। তবে এবার নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে দুর্নীতি ইস্যু ও হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারি।অন্যদিকে, বিজেপির অনুপ্রবেশ বড় ইস্যু ছিল ঝাড়খণ্ডের ভোটে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে বিজেপির শীর্ষ নেতারা বারেবারে এই ইস্যু নিয়ে সরব হয়েছেন এবং আক্রমণ করেছেন।









