
ট্যাংরাকাণ্ডের ৪ মাস পর স্কুলে গিয়েছে ১৪ বছরের প্রতীপ দে। কিন্তু চার মাসে আগেও ছবিটা ছিল অন্যরকম।
দিদির সঙ্গে গাড়িতে করে স্কুলে যেত প্রতীপ। ছিল ৬ জনের হাশিখুশি পরিবার। কিন্তু ফেব্রুয়ারির এক রাতে তাঁর জীবনটাই পাল্টে দিয়েছে। নেই মা, কাকিমা, দিদি। জেলে রয়েছেন বাবা, কাকা। শিশুকল্যাণ সমিতির সৌজন্যে আপাতত প্রতীপের ঠাঁই একটি হোম। সেটিই এখন তার ঘর। ওই হোমের তরফে স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে প্রতীপকে। আগে ট্যাংরার একটি স্কুলে ক্লাস সেভেনে পড়ত প্রতীপ। পরীক্ষা চলাকালীনই ঘটেছিল সেই ঘটনা। এরপর চার মাস কেটে গিয়েছে।
এখন প্রতীপকে নতুন স্কুলে ক্লাস এইটে ভর্তি করা হয়েছে। আর সেখানেই শুরু হয়েছে তার নতুন জীবনযুদ্ধ।







