
বেশি খেলে মোটা হয়ে যাবেন,এই ধারণা অনেকের। কিন্তু বাস্তবে এমন অনেকেই আছেন যারা প্রচুর খাওয়া সত্ত্বেও ওজন বাড়তে দেন না।
সম্প্রতি অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন কিভাবে প্রতিদিন অনেকটা খেয়েও তিনি ফিট থাকেন। বলা হচ্ছে,এমন খাবার বেছে নিতে যেগুলো দেখতে অনেক কিন্তু ক্যালরি কম।তাই পেটও ভরে, আবার ওজনও বাড়ে না।আসলে সঠিক খাবার বেছে নিলে নিজেকে ক্ষুধার্ত না রেখেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।এখন প্রশ্ন হল বেশি খেয়ে ফিট থাকার পেছনে কী রয়েছে?পুষ্টিবিদের মতে, কৌশলটি হলো হাই ভলিউম, লো ক্যালরি খাবার খাওয়া। অর্থাৎ এমন খাবার যেগুলো বেশি পরিমাণে খাওয়া গেলেও ক্যালরি কম থাকে।এসব খাবার শরীরকে দীর্ঘক্ষণ পূর্ণ রাখে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়।তাহলে কোন খাবারগুলো বেশি খেয়ে কম ক্যালোরি পাওয়া যায়? ফল যেমন তরমুজ, বেরি, কিউই ইত্যাদিতে জল ও ফাইবার বেশি থাকে, ক্যালরি কম। ফলে বেশি খেলেও ওজন বাড়ে না।একইভাবে শাকসবজি যেমন শসা, লেটুস, ক্যাপসিকাম, শাক ইত্যাদিও পেট ভরিয়ে রাখে এবং হজমে সাহায্য করে।অন্যদিকে চর্বিহীন প্রোটিন যেমন মুরগির বুকের মাংস, মাছ, ডিমের সাদা অংশ এবং চিংড়ি,এই খাবারগুলো ধীরে হজম হয়। ফলে অনেকক্ষণ খিদে লাগে না। এ ছাড়া প্রোটিন ও ফাইবারের ভালো উৎস দই, টোফু, মসুর ডাল, ছোলা।এই অবস্থায়,দৈনিক এমনভাবে খাবার খান যাতে তার শরীরে প্রায় দু হাজার ক্যালরির ঘাটতি থাকে। এতে শরীর শক্তির জন্য সঞ্চিত ফ্যাট ভাঙতে শুরু করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।তবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হলে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।সব মিলিয়ে,কম খাওয়া নয়, স্মার্ট খাওয়া জরুরি।বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমাতে একেবারে কম খাওয়ার দরকার নেই। বরং এমন খাবার বেছে নিতে হবে যা পুষ্টিকর, কম ক্যালরিযুক্ত, কিন্তু বেশি খাওয়া যায়। এতে খিদেও মিটবে, আবার ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমাতে চাইলে প্রথম ধাপ হলো খাবার সম্পর্কে সচেতন হওয়া।
বেশি খেতে চাইলে ফল, শাকসবজি ও চর্বিহীন প্রোটিনভিত্তিক খাবার বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। এতে দীর্ঘস্থায়ীভাবে সুস্থ ও ফিট থাকা সম্ভব।









