
২০১৬ সালে যখন তাঁদের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসে, ফ্যানরা চমকে গিয়েছিলেন।অনেকে তো ব্রেকিং নিউজ দেখেও ব্র্যাড পিট আর অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বিচ্ছেদের খবর বিশ্বাস করতে পারেননি।
তবে সম্পর্ক চুকেবুকে গেলেও বিচ্ছেদ প্রসঙ্গ বারবার এড়িয়ে গেছেন ব্র্যাড। জোলি বিভিন্ন সময়ে কথা বললেও ব্র্যাডের কাছ থেকে সাড়া মেলেনি। অবশেষে এক সাক্ষাৎকারে প্রথমবার জোলির সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেতা।এর আগে সেই মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ সিনেমার সেটে প্রথম পরিচয়,সেখান থেকেই প্রেম। একসঙ্গে দুজন একই ছাদের নিচে থেকেছেন দীর্ঘ ১০ বছর। তারপর সন্তানদের অনুরোধে বিয়ে।তাঁরা ছিলেন হলিউডের ড্রিম কাপল, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি-ব্র্যাড পিট জুটি।এ জুটিকে ডাকা হতো,ব্র্যাঞ্জেলিনা। তবে এ সবকিছুই অতীত,আট বছর ধরে চলতে থাকা তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া গত বছরের ডিসেম্বরে আইনিভাবে চূড়ান্ত হয়। চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পর প্রথম এ ব্যাপারে কথা বললেন অভিনেতা ব্র্যাড পিট। ব্র্যাড পিট বলেছেন, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ তেমন কোনো বড় বিষয় নয়।বিয়ের মাত্র দু’ বছরের মাথায় ২০১৬ সালে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বিচ্ছেদের আবেদন করেন।তবে বিচ্ছেদ আইনিভাবে চূড়ান্ত হতে আট বছর লেগে যায়। বিষয়টি উল্লেখ করে ব্র্যাড বলেছেন, দীর্ঘ আট বছরের আইনি লড়াই শেষে বিচ্ছেদ সম্পন্ন হলেও এটি ছিল কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা।এই বিচ্ছেদ মানসিকভাবে কঠিন ছিল।বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হওয়ার পর কোনো বিশেষ অনুভূতি হয়নি।মনে হয়েছে, আইনি দিক থেকে প্রক্রিয়াটি শেষ হয়েছে।বিচ্ছেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর অ্যাঞ্জেলিনা জোলির টিমের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।যেখানে দীর্ঘদিন ধরে এ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে যে ক্ষতি হয়েছে,তা উল্লেখ করা হয়।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আট বছরেরও বেশি সময় আগে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি,পিটের কাছ থেকে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন। জোলি ও তাঁর সন্তানেরা পিটের সঙ্গে ভাগ করা সব সম্পত্তি ছেড়ে দিয়েছিলেন। সেই সময় থেকে তিনি তাঁর পরিবারের মানসিক শান্তি ও সুস্থতার দিকে মনোযোগ দেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় জোলি বিপর্যস্ত,তবে প্রক্রিয়াটি শেষ হওয়ায় তিনি স্বস্তি বোধ করছেন।উল্লেখ্য,অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের ছয় সন্তান রয়েছে,ম্যাডক্স, প্যাক্স, জাহারা, শিলো এবং যমজ সন্তান নক্স ও ভিভিয়েন।
খবর অনুযায়ী,বিচ্ছেদের পরের বছরগুলোতে অভিনেতার তাঁর সন্তানদের সঙ্গে সম্পর্ক টানাপোড়েনপূর্ণ ছিল। ছয় সন্তানের মধ্যে তিনজন তাঁদের পদবি থেকে পিট বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।






