
বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান আর বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বিমান বসুকে পেছনের সারি থেকে ডেকে এনে সামনের সারিতে বসিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের নব নিযুক্ত রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিমান বসু-র বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর পেছনের সারিতে।
কিছুটা আগে অনুষ্ঠান স্থলে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী। নজরে পরে পরের সারিতে বসে আছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু। সৌজন্য সাক্ষাৎ সেরে সামনে এসেই দেখেন মুখ্যমন্ত্রীর পাশের পাশে সিটে নাম লেখা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের হাতে সেই পোস্টার তুলে দিয়ে সিকিউরিটির হাতে দিয়ে বিমান বসুকে সামনে ডেকে নেন। মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, পাশের সিটে এসে বসেন বিমান বসু। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।। শপথ বাক্য পাঠ করে সস্ত্রীক রাজ্যপাল পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য যান বাইরের দিকে বারান্দায়। মুখ্যমন্ত্রী না পৌঁছলে রাজ্যপাল আবার হল রুমের দিকে এগিয়ে এসে সৌজন্য সাক্ষাৎ সারেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে।
উত্তরীয় পরিয়ে রাজ্যপাল ও তার স্ত্রীকে বরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। অল্প সময়ের সাক্ষাতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,বাংলা শিল্প সংস্কৃতির জায়গা এইটা অটুট থাকুক। পাল্টা গভর্নর-কে আর এন রবিকে বলতে শোনা যায়, সাংস্কৃতিক রাজধানী। ব্রিটিশ আমলে দেশের রাজধানী ছিল কলকাতা।






