
দক্ষিণ আটলান্টিকের ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চল ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা দিয়েছে, যাতে তিনি বা তার প্রশাসন দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব ইস্যুতে কোনো ধরনের চাপ বা হস্তক্ষেপ না করেন। সম্প্রতি আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ব্রিটেনের ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর দাবির বিষয়টি পর্যালোচনার কথা বিবেচনা করছে, এমন একটি খবর সামনে আসার পর দ্বীপপুঞ্জটির স্থানীয় সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করে।
তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একান্তই ফকল্যান্ডবাসীর এবং এ বিষয়ে বাইরের কোনো শক্তির বুলিং তারা মেনে নেবে না।ফকল্যান্ডস সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বহু আগেই ব্রিটিশ শাসনের অধীনে থাকার পক্ষে মত দিয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক মহলের উচিত সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করা।এদিকে আমেরিকার নীতিনির্ধারণী মহলে লাতিন আমেরিকার ভূরাজনীতি, বিশেষ করে আর্জেন্টিনার সঙ্গে সম্পর্ক এবং ইরান-সম্পর্কিত নিরাপত্তা ইস্যু ঘিরে নতুন করে আলোচনা চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের প্রশ্নটিও সামনে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, ফকল্যান্ড ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই ব্রিটেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যে সংবেদনশীল বিরোধের বিষয়।
এমন পরিস্থিতিতে আমেরিকা যদি এ বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা নেয় তবে তা আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।









