
সাধারণতঃ বলা হয়,ভিটামিন এ, সি এবং বি-৬ এ ভরপুর পুদিনাপাতা পা ফাটা রোধে দারুণ কার্যকরী। অলিভ অয়েল ও পুদিনাপাতা বেটে ফাটা গোড়ালিতে লাগান।
এক কাপ জলেতে পুদিনাপাতা দিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। তাতে অর্ধেক লেবুর রস এবং গোলাপজল মিশিয়ে টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।অথবা তুলসীপাতার ওপর কয়েক ফোঁটা জল দিয়ে নাকের দু’ পাশে ৫ মিনিট রেখে দিন। ব্লাকহেডস কমবে। সমপরিমাণ আমলকী গুঁড়ো এবং শুকনো তুলসীপাতা গুঁড়ো মিশিয়ে জল দিয়ে সারা রাত রেখে দিন। সকালে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগান।অন্যদিকে,কুসুম গরম জলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মেথি মিশিয়ে নিন।মিশ্রণটিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে ফোলা জায়গায় লাগান। চাইলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ফেস মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। মেথির টোনার বানাতে চার কাপ জলের সঙ্গে এক মুঠো মেথি দিয়ে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা হলে ছেঁকে নিন।পাশাপাশি এক চা চামচ আদার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। সঙ্গে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল দিন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি তাড়াতে ২ টেবিল চামচ আদার সঙ্গে ৩ টেবিল চামচ তিলের তেল বা অলিভ অয়েল ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মাথার স্ক্যাল্পে লাগাতে পারেন।অথবা এক মুঠো নিমপাতা চার-পাঁচ কাপ জলেতে ফুটিয়ে নিন। শ্যাম্পু করার পর ফোটানো নিম জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিলে দেখবেন খুশকির সমস্যা কমবে। গোসলে নিমের জল ব্যবহারে ত্বকের ইনফেকশন কমবে। ১০টা নিমপাতা ও ৩ চামচ হলুদগুঁড়ো বেটে মুখে লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।সেইসঙ্গে,এক চিমটি হলুদের গুঁড়োর সঙ্গে ২ টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়ো, ২ চা চামচ দুধ এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া ব্রণের সমস্যা দূর করতে ১ চামচ হলুদের গুঁড়ো, ২০-৩০টা নিমপাতা ও নিমের তেল পেস্ট করে ব্যবহার করুন।এর বাইরে কালো গোলমরিচ ব্যবহার করতে পারেন। ৫ চা চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ২ চা চামচ দই ও এক চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে পেস্ট তৈরি করে স্ক্যাল্পে ব্যবহার করতে পারেন।এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে চুলপড়া কমবে। আধা চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়োর সঙ্গে এক চা চামচ দই মিশিয়ে ফেস স্ক্র্যাব হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। ব্ল্যাকহেডস দূর হবে।









