
মায়ানমারের বন্দী প্রাক্তন নেত্রী ও নোবেলজয়ী অং সান সুচি জীবিত ও সুস্থ আছেন, এমন দাবির প্রমাণ দিতে দেশটির সামরিক সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তাঁর ছেলে কিম অ্যারিস। দু’ বছরের বেশি সময় ধরে মায়ের কোনো ছবি, কণ্ঠ, সরাসরি খবর বা ন্যূনতম যোগাযোগ না পাওয়ায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
কিম অ্যারিসের সাম্প্রতিক উদ্বেগের পর মায়ানমারের সামরিক সরকার একটি বিরল বিবৃতিতে দাবি করে সু চি সুস্থ আছেন। কিন্তু মায়ানমার ডিজিটাল নিউজে প্রকাশিত সেই বিবৃতিতে সু চির স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনো ছবি, চিকিৎসা রিপোর্ট বা প্রমাণ যুক্ত করা হয়নি। এতে তাঁর সন্দেহ আরও বেড়েছে বলে অ্যারিস জানিয়েছেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন, সামরিক বাহিনী সু চির সুস্থতার দাবি করলেও কোনো তথ্য প্রকাশ করছে না। তাঁর ভাষায়,পরিবার, চিকিৎসক, আইনজীবী বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের প্রবেশাধিকার নেই।তিনি প্রশ্ন করেছেন, যদি সু চি সত্যিই সুস্থ থাকেন, তাহলে সেটা দেখাতে সমস্যা কোথায়।জাপানে অবস্থান করে কিম অ্যারিস তাঁর মায়ের মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।পাশাপাশি সামরিক সরকারের পরিকল্পিত নির্বাচনের বিরুদ্ধেও কড়া সমালোচনা করে আসছেন। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এই নির্বাচন জুন্টার ক্ষমতা বৈধ করার কৌশল।কিম অ্যারিস জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তাঁর আতঙ্ক চরমে পৌঁছেছে। তিনি বলেছেন,তাঁর জানা মতে সু চি হয়তো আর জীবিত নাও থাকতে পারেন।
গত দু’ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁকে কেউ দেখেনি। এমনকি আইনজীবীরা পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পারেননি।উল্লেখ্য,২০২০ সালের নির্বাচনের পর সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাবাহিনী। এরপর দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে।









