
১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ভারত বনধ। জোর প্রস্তুতি চলছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির।
দাবি, ৩০ কোটিরও বেশি শ্রমিক এবার রাস্তায় নামবেন। ফলে ব্যাঙ্ক থেকে পরিবহণ, সরকারি দফতর—একাধিক পরিষেবা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। কেন্দ্রের শ্রম সংস্কার ও বৃহত্তর অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই বনধের ডাক, জানাচ্ছেন সংগঠনগুলি। কেন্দ্র যে চারটি নতুন শ্রম আইন এনেছে, তা নাকি শ্রমিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানের নিরাপত্তাকে দুর্বল করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। তাঁদের দাবি, নতুন আইন মালিকদের হাতে নিয়োগ-বরখাস্তের ক্ষেত্রে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিচ্ছে, আর আগের বহু সুরক্ষাই কার্যত তুলে নেওয়া হয়েছে। এই বনধে শক্তি যোগাচ্ছে কৃষক সংগঠনগুলি। ফলে গোটা দেশজুড়ে দৈনন্দিন জনজীবনে বড়সড় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। প্রশাসনও সম্ভাব্য পরিস্থিতি সামলাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
যে পরিষেবাগুলি বন্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে-বড় শহরের বাজার ও দোকানপাট পাবলিক সেক্টর, ব্যাঙ্ক একাধিক সরকারি দফতর রাস্তায় বাধা পড়লে প্রভাবিত হতে পারে সরকারি-বেসরকারি পরিবহণ স্কুল-কলেজ যে পরিষেবাগুলি খোলা থাকবে- হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা বেসরকারি অফিস বিমানবন্দর এটিএম অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা সতর্কতা মানতে হবে দেশজুড়ে বনধের ফলে বহু জায়গায় স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হতে পারে।







