
কথিত আছে বাংলায় জগদ্ধাত্রী পুজোর সূচনা করেছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। সেই থেকে শুরু তারপর থেকেই কৃষ্ণনগর, চন্দননগরে জগদ্ধাত্রীপুজোর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও।
কৃষ্ণনগরে অন্যতম আকর্ষণ চাষাপাড়ার বুড়িমার পুজো। শুরু হয়েছিল ১৭৭২ সালে। এবার পুজো ২৫৩ বর্ষে। ভক্তদের বিশ্বাস বুড়ি মার কাছে কিছু চাইলে তিনি ফেরান না। আর এই বিশ্বাস নিয়েই নবমীতে বুড়িমার পুজো দিতে ঢল নেমেছে মানুষের। বুড়িমার ভার্চুয়াল দর্শন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কৃষ্ণনগরে মূল পুজো হয় নবমীতে। সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমী একদিনেই তিনদিনের পুজো সম্পন্ন হয়। বুড়িমা সাজেন ১০ কেজি সোনার গয়নায়। ভোররাতে মঙ্গলঘটে জল ভরে পুজো শুরু হয়। কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতেও রীতি মেনে জগদ্ধাত্রী পুজো হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন বারোয়ারি থেকে বনেদি বাড়ির পুজোতেও ছিল মানুষের ঢল। কৃষ্ণনগরের সঙ্গেই জগদ্ধাত্রী পুজোয় মাতে উত্তর অশোকনগর, রিষড়া।
অন্যদিকে রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে বাড়ির জগদ্ধাত্রী পুজোয় ব্যস্ত তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমার। হোমযজ্ঞ থেকে পুষ্পাঞ্জলি, ঠাকুরের ভোগ থেকে অতিথি আপ্যায়ন সবকিছুর তদারকি করেছেন মেয়ে দেবলীনা, জামাই গৌরব।









